বিয়ে সম্পাদন হওয়ার জন্য ইজাব-কবুল জরুরি। কেননা ছে’লে-মে’য়ের প্রস্তাব (ইজাব) এবং গ্রহণের (কবুলের) মাধ্যমেই বিয়ে সম্পাদন হবে। কিন্তু যদি কোনো ছে’লে কোনো মে’য়েকে উদ্দেশ্য করে বলে-
‘আমি তোমাকে বিয়ে করলাম বা বিয়ে করার প্রস্তাব দিচ্ছি’ আর মে’য়ে যদি এ প্রস্তাবের জবাবে বলে ‘কবুল বা গ্রহণ করলাম’ তবে কি এ বিয়ে সম্পাদন হয়ে যাব’ে?
সমাজে এভাবে অহরহ বিয়ের ঘটনা ঘটছে। এসব বিয়ে স’ম্পর্কে তারা বলেন যে, আম’র’া ইজাব-কবুলের মাধ্যমেই বিয়ে সম্পাদন করেছি। কিন্তু ছে’লেমে’য়ের ইজাব-কবুলের মাধ্যমে বিয়ে বৈধ হওয়ার জন্য শর্ত রয়েছে। শর্তগু’লো যথাযথভাবে পালন সা’পেক্ষে বিয়ে সম্পাদন হবে।
ইজাব-কবুলের মাধ্যমে বিয়ে হওয়ার শর্ত – ছে’লে-মে’য়েকে প্রা’প্ত বয়স্ক, বু’দ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন মু’সলমান ‘হতে হবে।– ছে’লে মে’য়ে নিজ সম্মতিতে ‘ইজাব-কবুল’ বলবে এবং উভ’য়ে পরস্পর নিজ নিজ কানে শুনতে হবে।
অ’ভিভাবক কিংবা প্রতিনিধির মাধ্যমে বিয়ে অনুষ্ঠিত হলে অ’ভিভাবকরা একের ছে’লের প্রস্তাব পয়গাম মে’য়েকে বলবে, মে’য়ের ‘কবুল’ বলার শব্দ প্রতিনিধিদের নিজ কানে শুনতে হবে।বিয়ের ‘ইজাব-কবুল’ শোনার জন্য দুজন প্রা’প্তবয়স্ক, জ্ঞানবান সাক্ষী কিংবা একজন পুরুষ ও দুজন জ্ঞানবান, প্রা’প্তবয়স্ক নারী বিয়ের মজলিসে নিজ কানে শুনতে হবে। (দৈনন্দিন জীবনে ইস’লাম)
সুতরাং কোনো ছে’লে যদি কোনো মে’য়েকে সরাসরি প্রস্তাব দেয়, ‘আমি তোমাকে বিয়ে করছি বা বিয়ের প্রস্তাব করছি। আর মে’য়ে প্রস্তাবের বিপরীতে ‘কবুল বা আলহা’ম’দুলিল্লাহ’ বলে তবেউল্লেখিত শর্ত পূরণ সা’পেক্ষে বিয়ে সম্পাদন হবে।আল্লাহ তাআলা মু’সলিম উম্মাহর সব ছে’লে মে’য়েকে উল্লেখিত শর্ত সম্পাদন সা’পেক্ষে বিয়ে সম্পন্ন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।













































