প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

যেসব এলাকায় আঘা’ত হা’নতে পারে ঘূ’র্ণিঝড় ‘ইয়াস’!

5
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

একদিকে প্র’চণ্ড গরমে বেলা বাড়তেই পথে-ঘাটে কমে যাচ্ছে লোকের সংখ্যা। তাপপ্রবাহের জে’রে ঘেমেনেয়ে একাকার মানুষ। গোটা দেশেই বিভিন্ন জায়গায় গড় তাপমাত্রা যা দাঁড়িয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে তীব্র তাপদাহে পুড়ছে দেশ। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে প’ড়েছে জনজীবন।

এদিকে বঙ্গোপসাগরে ল’ঘুচা’পের প্র’ভাবে সপ্তাহজুড়ে নেই বৃষ্টির আভাস। বঙ্গোপসাগরে ঘূ’র্ণিঝ’ড়ের যে আশ’ঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা আরও প’রিণত হয়েছে। শনিবারের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে’র কাছাকাছি এলাকায় একটি ল’ঘুচা’পের সৃষ্টি হতে পারে। ২৫ মে রাত থেকে ২৬ মের মধ্যে উপকূলীয় এলাকায় আঘা’ত হানতে পারে ঘূ’র্ণিঝ’ড় ‘ইয়াস’।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে পারে একটি ল’ঘুচা’প। যা পরবর্তীতে সুস্পষ্ট ল’ঘুচা’প, নি’ম্নচা’প, গ’ভীর নি’ম্নচা’প, এরপর ঘূ’র্ণিঝ’ড় ‘ইয়াশ’ এ রূপ নিয়ে বাংলাদেশ উপকূলে আঘা’ত হানতে পারে। সম্ভাব্য এই ঘূ’র্ণিঝ’ড়ের নাম দেয়া হয়েছে ইয়াশ। স’ম্প্রতি এই তথ্য জা’নিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, ২২ তারিখের কাছাকাছি সময় দীর্ঘ ল’ঘুচা’প হতে পারে। আর যদি ল’ঘুচা’প হয়ে সেটা স্টেজ পরিবর্তন করে ঘূ’র্ণিঝ’ড়ে রূপ নেয়, তবে সেটা ‘ইয়াস’ নাম ধারণ করবে।

বিশ্বের বিভিন্ন আবহাওয়ার পূর্বাভাস কে’ন্দ্রগুলোও জা’নায়, ২৫ মে মধ্যরাত থেকে ২৬ মে সন্ধ্যার মধ্যে ঘূ’র্ণিঝ’ড় ‘ইয়াশ’ বাংলাদেশে প্রবেশ ক’রতে পারে। আম্পান যেদিক দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করেছিল, সেই সাতক্ষীরা, খুলনার ও চট্টগ্রাম উপকূল বিস্তৃত হতে পারে ঘূ’র্ণিঝ’ড় ‘ইয়াস’।

সর্বশেষ পূর্বাভাস মতে, মধ্যম মানের এ ঘূ’র্ণিঝ’ড়টি প্রবেশের সময় বাতাসের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার। তবে গতিবেগ কম হলেও ২৬ মে ভরা পূর্ণিমা’র কারণে উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাসসহ বড় ধ’রনের ক্ষ’তির আশ’ঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, ৮ থেকে ১২ ফুটের বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস বয়ে যেতে পারে উপকূল দিয়ে।

প্রসঙ্গত, সাধারণত যে কোনো ঘূ’র্ণিঝ’ড় প্রচুর বৃষ্টিপাত নিয়ে আসে। সেই হিসেবে ইয়াস আসায় তাপপ্রবাহ কিছুটা কমতে পারে। সাধারণত সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করলে ঘূ’র্ণিঝ’ড় তৈরি হতে পারে। সে কারণে বিদ্যমান তাপপ্রবাহের স’ঙ্গে ল’ঘুচা’প-নি’ম্নচা’প এবং ঘূ’র্ণিঝ’ড়ের স’ম্পর্ক আছে বলে জা’নান বিশেষজ্ঞরা।

উল্লেখ্য, বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আঞ্চলিক কমিটি ঝড়ের নামকরণ করে থাকে। যেমন- ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আটটি দেশ। দেশগুলো হচ্ছে— বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমা’র, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ওমান, যাদের প্যানেলকে বলা হয় ডব্লিউএমও বা ইএসসিএপি। এবারের ঘূ’র্ণিঝড় ‘ইয়াশ’ নামকরণ করেছে ওমান।