বর্তমান সময়ের সেরা আলোচিত জনপ্রিয় নায়িকা নুসরাত। আলোচনা- সমালোচনা নিয়েই তার ক্যারিয়ার। বরাবরই তিনি আলোচনায় থাকেন। ফের খবরের শিরোনাম হলেন এই অভিনেত্রী।জানা যায়, অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের কারণেই বন্ধুত্ব ভেঙেছে মিমি আর নুসরাতের। কিন্তু কেন? যশ-নুসরাতের সম্পর্কে মিমির লাভ-ক্ষতি কী?
ঘটনা হচ্ছে, অভিনেতা যশকে নাকি মিমিও ভালোবাসতেন। তারা দুজনে জুটি বেঁধে চারটি ছবিতে অভিনয় করেছেন। দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করতে করতেই যশের প্রতি ভালো লাগা, তারপর ভালোবাসা তৈরি হয় মিমির। এ কথা নাকি তার একসময়ের বেস্ট ফ্রেন্ড নুসরাতও জানতেন। তা সত্ত্বেও স্বামী নিখিলকে ছেড়ে পরবর্তীতে বন্ধুর ভালোবাসার দিকে হাত বাড়ান নুসরাত।
আরও পড়ুন=বুধবার (০৯ জুন) বিকেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি। এ সময় দুদক সচিব বলেন, আমরা হেফাজত নেতাদের পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিষয়ে চিঠি দিয়েছি। ভূমি অফিসে চিঠি দিয়েছি জমি বা সম্পদ সংক্রান্ত তথ্যের জন্য। ব্যাংকগুলোকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমরা তাদের ব্যাপারে সকল তথ্য বের করার চেষ্টা করছি।
এদিকে হেফাজতে ইসলামের আরও ৪৬ জন নেতার ব্যাংক হিসাবের লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথা থেকে কী উদ্দেশ্যে টাকা এসেছে এবং কোথায় খরচ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতেই তাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
নতুন যে ৪৬ জনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে তাদের অধিকাংশই হেফাজতের বিগত কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলেন।এর আগে গত এপ্রিলে হেফাজতের আমির জুনায়েদ বাবুনগরীসহ সংগঠনটির শীর্ষ পর্যায়ের ৫৪ নেতার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছিল সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও অর্থ পাচার প্রতিরোধে কাজ করা বিএফআইইউ।













































