প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দেড় টাকা বেশি নেওয়া ‘চুরি’

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

মোবাইলে ব্যাংকিং সেবায় প্রতি হাজারে ২০ টাকা চার্জ বা মাশুল নেওয়ার মাধ্যমে দেড় টাকা করে বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত মাশুল ১৮ টাকা ৫০ পয়সা। বাড়তি নেওয়া চু’রি বা প্রতারণার শামিল।

শনিবার (৮ মে) ‘প্রতিযোগিতা ও অংশীদারত্বে প্রেক্ষাপট: প্রসঙ্গ এমএফএস সেবা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) এ সভা’র আয়োজন করে।

আলোচনা সভায় বক্তারা মোবাইলে আর্থিক সেবা, এর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, প্রতিযোগিতা, সেবাগ্রহীতার ব্যয় ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা এমএফএস সেবায় গ্রাহকের চার্জ কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার সময় এসেছে বলেও উল্লেখ করেন।

দেড় টাকা করে বাড়তি নেওয়াকে চু’রি ও প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম।

শ্যাম সুন্দর সিকদার বলেন, দেড় টাকাকে বছরের মোট লেনদেন নিয়ে গুণ করে দেখু’ন, কত টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এমএফএস খাতে একচেটিয়া ব্যবসা রয়েছে। এটা ঠেকাতে তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতাধারীর ওপর বিধিনিষেধ জারি করা প্রয়োজন।

আবুল কাশেম বলেন, প্রত্যেক এজেন্টের দোকানের সামনে সর্বোচ্চ চার্জ সাড়ে ১৮ টাকা, সেটি লিখে দেওয়া অসম্ভব কোনো বিষয় নয়। প্রতিষ্ঠানগুলো লাইসেন্সধারী। তাদের সেবায় দেড় টাকা করে কী’ভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে, তা দেখা দরকার।

তিনি বলেন, কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের জন্য ৯ টাকা ৯৯ পয়সা চার্জ আরোপ করছে। এটাও একধরনের চালাকি। দেশে এক পয়সার ব্যবহার কি আছে?
আবুল কাশেম আরও বলেন, মোবাইলে টাকা পাঠাতে কোনো চার্জ নেওয়া যাবে না। এটা কেউ মানছে, কেউ মানছে না। এটার বিচার কে করবে, বাংলাদেশ ব্যাংক না বিটিআরসি- বিচারটা হওয়া দরকার।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন টিআরএনবির সভাপতি রাশেদ মেহেদী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমা’র দে। এতে আইনজীবী ইফতেখার জোনায়েদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক বদিউজ্জামান দিদার প্রমুখ বক্তব্য দেন।