ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ ইরফান সেলিম। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) ডিএসসিসির নগরভবনে মেয়র কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ করেন তিনি।
গত বছরের ২৭ অক্টোবর নৈতি;ক স্খলনজ;নিত অ;পরাধ ও অসাধা;রণের অসদা;চরণের অভিযো;গে ডিএস;সিসির ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সি;লরের পদ থেকে ইরফানকে ;সাময়িক; বরখা;স্ত করে;ছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
ডিএসসিসির মেয়র দ;ফতর সূত্র জানিয়েছে, জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর আজ দুপুরে ইরফান সে;লিম নগর ভবনে যান। এ সময় তার সঙ্গে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মো. সেলিম এবং ইরফানের স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।
নগরভবনে আসার আগে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান ইরফান সেলিম।এর আগে বুধবার (২৮ এপ্রিল) জামিনে মুক্তি পান তিনি।
আরও পড়ুন=চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বাসিন্দা রণজিত দেব। বয়স ৭০ ছুঁই ছুঁই। এক সময় সবই ছিল তার। কিন্তু এক অজানা রোগে সবকিছু তছনছ হয়ে যায়। এরপর থেকে আহার যোগাতে ঘুরে বেড়াতে হয় মানুষের দ্বারে দ্বারে। এ অবস্থায় ১০ বছর ধরে মাথা গোঁজার ঘরটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লেও ছিল না মেরামতের সামর্থ্য।
সম্প্রতি স্থানীয় এক সংবাদকর্মীর মাধ্যমে বিষয়টি নজরে আসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিনের। এরপরই মাত্র ১০ দিনে জীর্ণশীর্ণ কুটিরের জায়গায় তৈরি হয় একটি রঙিন ঘর।বৃহস্পতিবার রণজিত দেবকে নতুন ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেন ইউএনও রুহুল আমিন। এ সময় পৌরসভার ফটিকা গ্রামের হিন্দুপাড়ায় ঘরটি দেখতে ভিড় জমান আশপাশের মানুষ।
স্থানীয়রা জানায়, স্ত্রী ও দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে সাজানো ছিল রণজিতের সংসার। দেশ স্বাধীনের আগে ম্যাট্রিক পাস করেন স্ত্রী রেখা রানী চৌধুরী। ছেলে বাসু চৌধুরী ছিলেন পল্লী চিকিৎসক। মেয়েকে এসএসসি পাশ করিয়ে বিয়ে দেন এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। সব মিলিয়ে ভালোই দিন কাটছিল রংমিস্ত্রি রণজিতের। কিন্তু হঠাৎ অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন তার দুই সন্তান। এখন ঘুরে বেড়ান পথে পথে।













































