ক্যা’ন্সার অনেক রকমের হয়ে থাকে। কিন্তু জানলে অ’বাক হবেন, বিশ্বে সবচেয়ে বেশির সংখ্যক পুরুষের মৃ ত্যু হয় মূত্রথলির ক্যা’ন্সারেই। কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মূত্রথলির ক্যা’ন্সারের কোনো লক্ষণ বোঝা সম্ভব হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে একদম শেষ পর্যায়ে গিয়ে ধ’রা প’ড়ে এই রো’গ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে এই রো’গ ধ’রা পড়লে রো’গীকে বাঁ’চানো সম্ভব। তবে ধ’রা না পড়লেই বি’পদ!
মা’র্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. সোরোস রাইস বাহরামি জা’নান, সাধারণত পুরুষদের বয়স ৫০ পার হলে মূত্রথলির ক্যা’ন্সারের ঝুঁ’কি বেশি থাকে। বিশেষ ধ’রনের র’ক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে মূত্রথলির ক্যা’ন্সার নির্ধারণ করা হয়।
অধ্যাপক বাহরামি জা’নান, র’ক্তে পিএসএ-র মাত্রা সাধারণত ১ থেকে ৪ এর মধ্যেই থাক। তবে এর বেশি হলেই মূত্রথলির ক্যা’ন্সার হয়েছে এটা ভাবা যাবে না। বরং এর স’ঙ্গে ডিজিটাল রেক্টাল টেস্ট করাতে হবে। এই টেস্টে মূত্রথলির কোনো রকম স্ফীতি বা ফোলা ভাব লক্ষ্য করলে বায়োপ্সি করানো জ’রুরি। তাহলে মূত্রথলির ক্যা’ন্সারের বিষয়ে নি’শ্চিত হওয়া যাবে।
মূত্রথলির ক্যা’ন্সারের কিছু উ’পসর্গ রয়েছে। যা আপনাকে আগাম সত’র্ক হতে সহায়তা করবে। চলুন তবে জে’নে নেয়া যাক সেই লক্ষণগুলো-
১. প্রস্রাবের সময় যদি স’মস্যা হয় বা মূত্রত্যা’গে র গতি কমে যায়, সেক্ষেত্রে দ্রুত চিকি’ৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জ’রুরি। এ ধ’রনের স’মস্যা মূত্রনালীর সংক্র’মণ ের কারণেও হতে পারে।
২. প্রস্রাবের রং স্বা’ভাবিকের থেকে গাঢ় হলে, মূত্রত্যা’গে র সময় তলপে’টে ব্য’থা বোধ করলে চিকি’ৎসকের প’রামর্শ নেয়া উচিত।
৩. প্রস্রাবের সময় যদি র”ক্ত বের হয় বা কোনো রকম ব্য’থা বা জ্বা’লা অনুভূত হয়, তাহলে বিশেষজ্ঞর কাছে যাওয়া প্রয়োজন।
৪. হাড়ে ব্য’থা বিশেষ করে মেরুদণ্ড বা কোমরে তীব্র ব্য’থা হলে সেটাও মূত্রথলির ক্যা’ন্সার হতে পারে।
এছাড়াও তলপে’টে অসহ্য য’ন্ত্রণা, প্রস্রাব ব’ন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি মূত্রথলির ক্যা’ন্সারের অন্যতম লক্ষণ।













































