বাংলা ম্যাগাজিন রিপোর্ট:-দুনিয়ায় জান্নাত রয়েছে। কথাটি শুনতে প্রশ্নবি’দ্ধ মনে হলেও সত্য যে, এ দুনিয়ার একটি স্থানকে ‘জান্নাতের বাগান’ ঘোষণা করেছেন বিশ্বনবি। বাস্তবেও সেখানে জান্নাতি পরিবেশ বিরাজ করে। সে স্থান কোনটি?
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-
مَا بَيْنَ بَيْتِي وَمِنْبَرِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ وَمِنْبَرِي عَلَى حَوْضِي
‘আমার ঘর (বর্তমান দা’ফনের স্থান) এবং আমার মিম্বরের মাঝের জায়গা (রাওজাতুম মিন রিয়াজিল জান্নাহ) জান্নাতের বাগানগু’লোর একটি বাগান। আর আমার মিম্বর আমার হাওজের উপর অবস্থিত।’ (বুখারি)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হুজরা মোবারক বা মিম্বারের পাশের জায়গাটি রিয়াজুল জান্নাহ বা বেহেশতের বাগান হিসেবে পরিচিত। এ স্থানে নামাজ আ’দায়ের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মসজদে নববির কার্পেট লাল রংয়ের হলেও রিয়াজুল জান্নাহ অংশের কার্পেটের রং সাদা।
মসজিদে নববির ভেতরের রিয়াজুল জান্নাহ বা জান্নাতের বাগানের অংশে কয়েকটি স্তম্ভ রয়েছে। সেগু’লোকে রহমতের স্তম্ভ বা খুঁটি বলা হয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তৈরি মসজিদে খেজুর গাছের খুঁটিগু’লোর স্থলে উসমানী সুলতান আবদুল মাজিদ পাকা স্তম্ভ নির্মাণ করেন। এগু’লোর গায়ে মর’্মর’ পাথর বসানো এবং স্বর্ণের কারুকাজ করা। প্রথম কাতারে ৪টি স্তম্ভের লাল পাথরের এবং পার্থক্য করার সুবিধার জন্য সেগু’লোর গায়ে নাম লেখা রয়েছে।
পবিত্র নগরী ম’দিনার মসজিদে নববির বর্তমান মেহরাব তথা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সমাধিস্থল সংল’গ্ন ডান পাশের স্থানটিই দুনিয়ার জান্নাতের বাগান। হজ, ওমর’াহ ও জিয়ারতকারীরা এ স্থানে অবস্থান নামাজ ও ইবাদত-বন্দেগি করে নিজেদের ধন্য করেন।
সুতরাং রওজা বা জান্নাতের বাগান হলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মসজিদে অবস্থিত খুতবার মিম্বার এবং তাঁর ঘর (বর্তমানে সমাধিস্থল) এর মধ্যস্থিত স্থানই রওজা বা (রিয়াদুল জান্নাহ বা জান্নাতের বাগান)।













































