প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

মিস্টার ২৫%: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর খাস লোক সাইফুল

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রচার-প্রচারণার দায়িত্ব পালন করে লাইফস্টাইল হেলথ এডুকেশন এন্ড প্রোমোশন বিভাগ। এর লাইন ডিরেক্টর হিসেবে রয়েছেন ড. সাইফুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর একটি দুর্নীতি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ১৬। ওই মামলায় তিনি এখন জামিনে রয়েছেন। কিন্তু জামিনে থাকলে কি হবে, এই অবস্থায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ জন্য তাকে এই লাভজনক লাইন ডিরেক্টর পদে দেওয়া হয়েছে। যেখান থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত বিষয়ে প্রচার-প্রচারণা করার কথা।

কিন্তু সাইফুল ইসলাম এই লাইন ডিরেক্টর হওয়ার পরে নিজেকে মিস্টার ২৫% হিসেবে সেটা প্রমাণ করেছেন। তিনি প্রচার প্রচারণার জন্য যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজ দিচ্ছেন তাদেরকে সরাসরি জানিয়ে দিচ্ছেন যে ২৫% টাকা দিলেই কাজ পাওয়া যাবে এবং যে ৯টি প্রতিষ্ঠান এবার কাজ পেয়েছে সেই ৯টি প্রতিষ্ঠানই ২৫% টাকা দিয়েই কাজ পেয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। যদিও কাজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেসা করা হলে তারা এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

জানা গেছে যে, যে কাজগুলো হবে সেই প্রত্যেকটি কাজ তিন থেকে পাঁচ মাস সময়ের মধ্যে করার কথা। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ১০ জুনের দিনের মধ্যে এই কাজগুলো সম্পন্ন হবে না। ইতিমধ্যে কাজ না করেই টাকা উত্তোলনের জন্য প্রথম এবং দ্বিতীয় কিস্তির বিল এডি অফিসে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলেও একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালকরাও সাইফুলের এই নজিরবিহীন দুর্নীতির বিষয়টি মুখ বুজে সহ্য করছেন। কারণ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনে করেন যে, সাইফুল মন্ত্রীর খাস লোক। আর যখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে দুর্নীতি এবং রোজিনার নিয়ে তোলপাড় চলছে তখনও এই টাকা লুটপাটের কাজ বন্ধ হয়নি। বরং দ্রুত বিল জমা দিয়ে টাকা তুলে নেওয়ার জন্যই ড. সাইফুল ইসলাম সবাইকে তাগাদা দিচ্ছেন।