আদা এমন একটা মশ’লা যা সব ধ’রনের ব্যবহার করা যায়। আদা খুবই স’হজলভ্য৷ প্রায় প্রতিটি বাঙালি বা অ’বাঙালি বাড়িতে আদা আনা হয় নিয়মিত৷ রান্নায় যেমন আদা রান্নার স্বাদ বাড়ায়, তেমনই শ’রীরিকভাবে উপকারও করে৷
প্রথমত একটু নুন ও লেবুর রসে ডু’বিয়ে রেখে আদা খেলে মুখে রুচি আসে৷ স্বা’দও বাড়ে৷ প্রতিদিন অল্প একটু আদা কুচি খেলে সা’ইনাসের স’মস্যার স’মাধান হতে পারে৷ তে’লের মধ্যে আদা ফু’টিয়ে সে’টার রস লা’গালে কোনও রকম ব্যা’থা সেরে যায় নি’মেষে৷ আদার অ্যা’ন্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান ব্যা’থা দূ’র করে৷ বমি ভাব না মাথা ঘো’রানো হলে একটু আ’দা স্লা’ইস করে নুন দিয়ে খেলে গা গো’লানো ভাবে কে’টে যাবে৷
হজ’মের সম’স্যা বা পে’টে ব্যা’থা হলে আদা কুচি খেলে নিরাময় হয়৷ গ্যাসের ব্যাথার জন্য আদা অব্য’র্থ৷ খুবই তা’ড়াতাড়ি ভাল’ভাবে কাজ করে৷ এছা’ড়া তো স’র্দি, কফ বুকে জমলে আদা খান নি’য়মিত৷ এতে উপকার পাওয়া যাবে৷
যে কারণে ক’রোনা থেকে শ’রীরে প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা বাড়াতে আ’য়ুর্বেদিক মতে জলে আদা ফু’টিয়ে খাওয়ার কথা বলা হচ্ছে৷ এছাড়া তো সর্দি, কফ বুকে জমলে আদা খান নি’য়মিত৷ এতে উপকার পাওয়া যাবে৷ যে কারণে ক’রোনা থেকে শ’রীরে প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা বাড়াতে আ’য়ুর্বেদিক মতে জলে আদা ফু’টিয়ে খাওয়ার কথা বলা হচ্ছে৷













































