একটা সময় বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের অনুসরণ করেই নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তেন বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটাররা। কিন্তু এখন বাংলাদেশ দলেই রয়েছে বিশ্বের সেরা ক্রিকেটাররা। সাকিব আল হাসান ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার।
![]()
তিন ফরম্যাটেই সেরা ছিলেন অনেকদিন। তামিম ইকবাল দেশের হয়ে গড়েছেন ১৪ হাজার রান করার মাইলফলক। জায়গা করে নিয়েছেন সেরা ওপেনারদের কাতারে। মুশফিকুর রহিম ওয়ানডে ক্রিকেটে অনেক ধরে দেশের সেরা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ওয়ানডেতে তার পারফরম্যান্সই প্রমাণ। মুস্তাফিজুর রহমান ওয়ানডেতে বিশ্বের সেরা ১০ বোলারের একজন। যেখানে মেহেদী হাসান মিরাজ অবস্থান করছেন র্যাঙ্কিংয়ের ২ নম্বরে।
![]()
এই অফ স্পিনার মনে করছেন, বিশ্ব সেরা ক্রিকেটার রয়েছে বাংলাদেশ দলেই। যাদের অনুসরণ করে শিখতে পারবে তরুণরা। তিনি বলেন, ‘দেখেন আমরা জুনিয়ররা আমরা সবসময়ই সিনিয়রদের কথাই বলি। কারণ একটা জিনিস দেখেন একটা সময় আমরা কিন্তু বিশ্বের অনেক খেলোয়াড়েকই আইডল মনে করতাম। বিশ্বসেরাদেরকেই আইডল মনে করতাম আমরা সবাই। কিন্তু এখন বিশ্ব সেরা ক্রিকেটাররা কিন্তু আমাদের চোখের সামনেই আছে।
![]()
আমরা কিনস্তু একই দলের হয়ে খেলছি। বিশ্বসেরা কিন্তু আমাদের কাছেই আছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে দেখে শিখতে পারি। দেখেন শেষ দুইটা ম্যাচ আমরা ব্যাটিং অতটা ভালো করিনি কিন্তু আমাদের শেখার অনেক কিছুই ছিল। যেখানে মুশফিক ভাই এবং রিয়াদ ভাই যে পার্টনারশিপ দিয়েছে এবং শেষ ম্যাচটা মুশফিক ভাই যেভাবে খেলেছে। শুধু এই দুইটা ম্যাচই নয়। বিগত ম্যাচগুলোতে যেভাবে খেলেছে,
![]()
দেখেন যে সাকিব ভাই ওয়াল্ড কাপে টপ পারফর্ম করেছে ব্যাটিং বোলিং দুটোই।’ সাকিব, তামিম, মুশফিকরা ছাড়াও মিরাজ উদাহরণ দিয়েছে মুমিনুল হক সৌরভের। যিনি কিনা টেস্ট ক্রিকেটে দেশের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন। এই ফরম্যাটে দেশের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিকও তিনি। যদিও বাকি দুই ফরম্যাটে খেলেন না। তার কাছ থেকেও তরুণদের শেখার রয়েছে অনেকে বলে মনে করেন মিরাজ। এতে করে নিজেদের আরো ভালো ক্রিকেটার হিসেবে পরিণত করতে পারবেন তারা।
![]()
মিরাজ বলেন, ‘তামিম ভাই মোস্ট ওপেনিং আমরা যেটা বলি যে বিশ্বের কয়েকজন ওপেনারের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের মধ্যে আছে। ১৪ হাজারেরও বেশি রান করেছে এটাও কিন্তু অনেক বড় অর্জন আমাদের কাছে মনে হয়। এবং তাদের কে দেখেই শিখতে পারি। দেখেন টেস্ট ক্রিকেটে সবথেকে বেশি সফল কিন্তু সৌরভ ভাই। সে যেভাবে সাফল্য পেয়েছে হয়ত সে একটা ফরম্যাট খেলে না।’ তিনি আরো যোগ করে বলেন, ‘ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি খেলেনা কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে তিনিই বেশি সফল।
![]()
তার কিন্তু সবথেকে বেশি সেঞ্চুরি। সে কিভাবে খেলে বা কঠোর পরিশ্রম করে এটা কিন্তু আমাএদর জুনিয়র ক্রিকেটারদের দেখে শেখা উচিত। আমরা এখন আমাদের চোখের সামনেই দেখতে পারি। তাদের দেখে আমরা শিখতে পারি। আমরা যত তারাতারি তাদের দেখে শিখতে পারব আমরা কিন্তু আরো ভালো ক্রিকেটার হতে পারব।













































