লাইভ স্ট্রিমিং অ্যাপস বিগো ও লাইকির আড়ালে হচ্ছে দেহ ব্যবসা, পা’চার করা হয় অর্থও। অবাক হলেও এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশের অ’পরাধ ত’দন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ রবিবার (১৩ জুন) সকালে সিআইডি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের অ’পরাধ ত’দন্ত বিভাগ (সি’আইডি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সি’আইডি জানায়, এসব অ্যাপসের মাধ্যমে বিভিন্ন আ’পত্তিকর ভিডিও ছড়ানো হয়। আর এ অ’ভিযোগে এক বিদেশিসহ চারজনকে গ্রে’ফতার করেছে সংস্থাটি। লাইভ স্ট্রিমিং অ্যাপসের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং বন্ধে বাংলাদেশে অ্যাপস কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি রাখা জরুরি বলে মনে করে সিআইডি। বর্তমানের নেট দুনিয়ায় উঠতি বয়সীদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় লাইভ স্ট্রিমিং অ্যাপস বিগো ও লাইকি। শুরুর দিকে অ্যাপস দুটি সামাজিক যোগাযোগ ও বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হতো।
সি’আইডি আরও জানায়, এই অ্যাপসের ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দিতে রয়েছে বিভিন্ন এজেন্সি। যার দায়িত্বে আছেন বিদেশিরা। আর তাদের সহযোগিতা করছেন বাংলাদেশি এজেন্টরা। ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপসগুলোর মাধ্যমে আ’পত্তিকর ভিডিও ছড়ানো হয়। এ অ’ভিযোগে বেশ কিছু আইডি বন্ধে চিঠি দেয়া হয়েছে বিটিআরসিকে।
তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, বিনোদনের আড়ালে হচ্ছে দে’হ ব্যবসা। ডিজিটাল ডায়মন্ড কেনার অজুহাতে বিদেশে পা’চার করা হচ্ছে অর্থ। এছাড়া নানা ধরনের অ’পরাধমূলক কর্মকাণ্ডও হচ্ছে এসব অ্যাপসের আড়ালে। এমন অ’ভিযোগে ১ বিদেশি নাগরিকসহ পাঁচ জনকে গ্রে’ফতার করেছে সি’আইডি।













































