ঝটপট তৈরি করা যায় বলে অনেকেই বাচ্চাদের নুডুলস খাওয়ান। দেখা যায়, বাচ্চাদের প্রতিদিনের বিকাল কিংবা সকালের খাবারে নুডুলস থাকেই থাকে। যদিও নুডুলস খেতে বেশ সুস্বাদু। পে’টও ভরে যায় দ্রুত। তবে তা স্বা’স্থ্যের জন্য কতটা ক্ষ’তিকর তা জা’নেন কি?
নিজে’র অজান্তেই প্রতিদিন নাস্তা হিসেবে বাচ্চাকে নুডলস দিয়ে তাকে মা’রাত্মক বি’পদের মুখে ফেলছেন। জা’নেন কি, বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞই ইনস্ট্যান্ট নুডলসের বিষয়ে কড়া ভাষায় ‘না’ বলছেন। কারণ ইনস্ট্যান্ট নুডলসও অন্যান্য প্যাকেজড খাবারের মতো ক্ষ’তিকর। প্রিজারভেটিভ ছাড়া নুডলস সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। আর এই প্রিজারভেটিভ শি’শুদের স্বা’স্থ্যের জন্য মোটেও উপকারী নয়।
নুডলসে থাকে কার্বোহইড্রেট ও প্রচুর ট্রান্স ফ্যাট। এছাড়া বেশির ভাগ নুডলস তৈরি হয় ময়দা দিয়ে। পুষ্টিবিদদের মতে, ময়দা হ’জম করা খুব সহজ নয়। অন্য দিকে ময়দা কোলেস্টরেলের স’মস্যাও তৈরি ক’রতে পারে।
ভ’য়ের কথা হলো, ইন্সট্যান্ট নুডলসে মোনোসোডিয়াম গ্লুটামেটের উপ’স্থিতি রয়েছে। এমনকি এতে থাকতে পারে ট্রেটবিউটিলহাইড্রোকুইনন (টিবিএইচকিউ)-এর মত মৌলও। এগুলো প্রতিটিই শ’রীরের জন্য মা’রাত্মক ক্ষ’তিকর। তাই বাচ্চাকে রোজ নুডলস দেয়া থেকে বিরত থাকুন। আর বাচ্চার জন্য স্বা’স্থ্যকর খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলুন।
নুডলস থেকে যেসব রো’গ শ’রীরে বাসা বাঁধতে পারে
> নুডুলসে থাকা রাসায়নিক নানাভাবে শ’রীরের ক্ষ’তি করে। এটি সংরক্ষণে ব্যবহৃত এমএসজি-এর রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে স্নায়ুতন্ত্রের স্থা’য়ী ক্ষ’তি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
> টিবিএইচকিউ-এর প্র’ভাবে লিভারের ক্ষ’তিও হতে পারে।
> কোলেস্টরেল বেড়ে যাওয়ার কারণে দেখা দিতে পারে উচ্চর’ক্তচা’প ও ডায়াবেটিসের স’মস্যাও।













































