কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে কঠিন অবস্থার মুখোমুখি হয়েছেন প্রবাসীরা। তাদের অনেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আ’ট’কা পড়েছেন। দেশে আসতে চাইলেও আসতে পারছেন না স্বাস্থ্যবিধির কারণে। আবার বিদেশেও কাজ করতে পারছেন। অনেকে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।
অনেকে চাকরি হারিয়ে মানবেতর জীবন ধারণ করছেন।তাদের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় একটি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন করেছে। সেই টিমের অন্যতম সদস্য রেপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (রেব) সাবেক সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম।
তিনি বর্তমানে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।কুইক রেসপন্স টিমের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই হাজারও ফোন পেয়েছেন সিনিয়র সহকারী সচিব সারোয়ার আলম। সোমবার রাতে এ বিষয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন তিনি।
পোস্টে তিনি প্রবাসীদের কাছ থেকে ৩০ মে হাজারখানেক কল পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি প্রবাসীদের কিছু কমন প্রশ্নের উত্তরও দেন পোস্টে।প্রবাসীদের সৌদি আরব গমন নিয়ে জিজ্ঞাসার বিষয়ে সারোয়ার আলম বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে সৌদি আরবে গেলে সবাইকে নির্দিষ্ট হোটেলে সাত দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।
যদি কারও করো’নার দুই ডোজ টিকা না দেওয়া থাকে বা টিকা দেওয়ার কার্ড না থাকে তাকেও থাকতে হবে কোয়ারেন্টিনে। এছাড়া সৌদি ফ্লাইটের ৭২ ঘণ্টা আগে হোটেল বুকিং নিশ্চিত করতে হবে। সরোয়ার আলমের ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধ’রা হলো-‘গতকাল ৩০ মে সকাল ১০ টা থেকে ১১-৫০ ঘটিকা পযর্ন্ত (১ঘন্টা ৫০ মি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় যু’ক্ত ছিলাম।
এসময় কোন ফোন রিসিভ করতে পারি নাই। সভা শেষে দেখি মোবাইলে ১৬৮ টি মিসকল। এভাবেই দিনভর ফোন আসতে থাকে। সারাদিনে সব মিলিয়ে আনুমানিক হাজারেরও বেশী ফোন আসছে। তার মধ্যে শ দুয়েক ফোন রিসিভ করতে পেরেছি। একটি নম্বরে কথা বললে পিছনে বেশ কয়েকজন অ’পেক্ষায় থাকে। আজো সারাদিন প্রায় একই অবস্থা।













































