প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

প্রখর উত্তাপে পুড়ছে দেশ

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

পাঁচ বছরে মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পুড়ছে দেশ। ক্রমাগত বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে লঘুচাপ কমেছে বঙ্গোপসাগরে, আর কালবৈশাখীতেও দেখা নেই বৃষ্টির। সবমিলিয়ে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অদ্ভুত আচরণ করছে এবারের গ্রীষ্মকাল। দুদিনের মধ্যে বৃষ্টি না হলে, চলমান দাবদাহ কমা অনিশ্চিত।

প্রখর উত্তাপ শুধু অনুভব নয়, চোখেও দেখা যায়। সপ্তাহখানেক তাপমাত্রা ঘুরছে ৩৭ থেকে ৪০ এর ঘরে। লকডাউনের পেরেশানি আর রোজার ক্লান্তির মাঝে নগরজীবনকে পোড়াচ্ছে গ্রীষ্ম। ২০১৭ সাল থেকে গত ৫ বছরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এ বছর। এখন পর্যন্ত ৪১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে রাজশাহীতে। কিন্তু লকডাউনের এই সময়ে সারা দেশে গাড়ি ও এসির ব্যবহার সীমিত থাকা সত্ত্বেও কেনো এতো উষ্ণতা।

১৮৮০ সাল থেকে এখন অবধি রেকর্ড অনুযায়ী বৈশ্বিক তাপামাত্রায় চলছে কেবলই বাড়ার প্রবণতা। সেই ধারায় গত ১৪০ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উত্তপ্ত বছর ছিল ২০২০ সাল। চলতি বছরেও যার রেশ পড়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহারসহ গোটা উপমহাদেশে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, গত নভেম্বর থেকে প্রত্যেক মাসেই তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের ১-২ ডিগ্রি বেশি।

আবহাওয়ার স্বাভাবিক রীতি অনুযায়ী বৈশাখের এই সময়ে ১০ ভাগ বৃষ্টি হয়ে যাবার কথা থাকলেও হয় নি। আর বঙ্গোপসাগর থেকে যে আর্দ্রতার যোগান আসার কথা, তাও আসেনি তেমন। ঢাকার তাপমাত্রা আপাতত ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকলেও অনুভূত হচ্ছে প্রায় ৪১। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লকডাউন শেষে সব প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি চালু হলে আরো বাড়বে দাবদাহ। আর স্বাভাবিক বৃষ্টি না হবার যে প্রবণতা তা অব্যাহত থাকলে মে মাসের গরমও হতে পারে এপ্রিলের মতোই তীব্র।