প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

পারাপারের অপেক্ষায় থাকা অ্যাম্বুলেন্সে শিশুর মৃত্যু !

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

বাংলাবাজার নৌ রুটে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা অ্যাম্বুলেন্সে অক্সিজেন সঙ্কটে মারা গেছেন পাঁচ বছরের শিশু ইয়ামিন। অসুস্থ অবস্থায় ইয়ামিনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে খুলনায় নিয়ে ফিরছিল তার পরিবার। পরিবার দাবি করেছে, দীর্ঘ সময় চেকপোস্টে আটকে থাকার কারণে ওই অ্যাম্বুলেন্সের অক্সিজেন শেষ হয়ে যায়।

পরে অক্সিজেন সঙ্কটে বিকেলে ইয়ামিনের মৃ’ত্যু হয়। লাশ নিয়ে স্বজনরা আহাজারি করছেন। ফেরি বন্ধ থাকায় এখন লাশ নিয়েও বাড়ি ফিরতে পারছেন না তারা। শিশুটির মামা মো. হিলাল জানান, ‘হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে শিশুটি ঢাকার একটি হাসপতালে ছিলেন। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় নিজ এলাকায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। সেখানেই নেয়া হচ্ছিল।

রোববার (৯ মে) সরেজমিনে দেখা গেছে, রোগীসহ অন্তত ৪০টি অ্যাম্বুলেন্স চেকপোস্টটির সামনের সড়কজুড়ে অপেক্ষা করছে। আর মরদেহ নিয়ে একটি ছোট ট্রাক এই অপেক্ষার লাইনে রয়েছে। সবারই পদ্মা পার করে দেয়ার আকুতি। ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামায় করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে শনিবার (৮ মে) থেকে দিনের বেলায় ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু জরুরি যান পারাপার ছিল স্বাভাবিক। তবে জরুরি যান পারাপারের সময় মানুষের স্রোত ফেরি ভরে যায়। গায়ে গা লাগানোসহ স্বাস্থ্যবিধি না মানায় সংক্রমণ ঝুঁকি ভয়ংকর রূপ নিতে পারে এই শঙ্কায় বন্ধ রাখা হয়েছে সব ফেরি। রোববার (৯ মে) সকাল ১০ টার পর থেকে ছেড়ে যায়নি কোনো ফেরি। লৌহজং থানার ওসি আলমগীর হোসাইন এই বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। বিআইডব্লিউটিসির এজিএম শফিকুল ইসলাম জানান, ফেরি চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে, তাই জরুরি যান পারাপারও বন্ধ।