ক-ক্স-বাজার সদরের ঈদগাঁও এর মাইজ পাড়ায় স্ত্রী-সসহ শ-শুর বাড়ির লোকজনের হাতে নি-ষ্ঠুর ও নি-র্ম-মভাবে মার খা-ওয়া প্রবাসী ১২ ঘন্টা চিকি-ৎসাধীন থাকার পর অবশেষে মৃ-ত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন। নিহতের নাম ম-ঞ্জু-র আলম (৪৫)। শনিবার (২২ মে) বেলা ১২ টার দিকে চ-ট্ট-গ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃ-ত্যু হয়।
তিনি ঈদগাঁওয়ের কালিরছড়া গ্রামের মৃত আব্দুল গনির পুত্র। জানা গেছে, গত শু-ক্রবার ঈদগাঁও এর মাইজ পাড়ায় পারিবারিক কলহের জেরে তার দ্বি-তীয় স্ত্রী রুনা আক্তারের বাবা, মা, ভাই বোনসহ সবাই মিলে দিন দুপুরে হত্যার উদ্দেশ্যে ম-ঞ্জু-র আলমকে নি-র্মম-ভাবে মারধর করে রা-স্তায় ফেলে রা-খে। এ সময় প্র-তিবে-শীরা আশংকাজনক অ-ব-স্থায় তাকে উদ্ধার করে ক-ক্স-বাজার সদর হাসপাতালে নেন।
অব-স্থা-র অবনতি হলে শনিবার তাকে চ-ট্র-গ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফা-র্ড করেন। সেখানে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। পরে ঈদ-গাঁও থানার একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে হা-মলা-কারীদের আ-টক করে। ওইদিন রাতে ক-ক্স-বাজার জেলা পু-লিশের এক বার্তায় এই তথ্য নি-শ্চিত করা হয়। পু-লিশের ওই বা-র্তায় জানানো হয়, ঈ-দগাঁ-ওয়ের কালিরছড়া গ্রা-মের মৃ-ত আব্দুল গনির ছেলে ম-ঞ্জুর আলম
(৪৫) দীর্ঘ-দিন প্রবাসে কাটিয়েছেন। প্রবাস জীবনে যা আয় করেছেন তা বাংলাদেশে অবস্থানরত তাঁর দ্বি-তীয় স্ত্রী রুনা আ-ক্তা-রের নামে পাঠাতেন। তাঁর ওই স্ত্রী নিজের নামে কিনেছেন জমি। আর সেখানেই বানিয়েছেন ব-হুতল ভব-নও। স-ম্প্র-তি করোনা পরি-স্থি-তির কারণে ছুটিতে আসার পর আর বিদেশ যাওয়া হয়নি ম-ঞ্জু-র আলমের। এরই মধ্যে স্বামী স্ত্রীর মাঝে পারিবারিক কলহ দেখা দেয়।
স্বা-মীর সাথে দূ-র-ত্ব বাড়াতে থাকেন স্ত্রী রুনার। এক পর্যায়ে শু-ক্রবার (২১মে) বাবা, মা, ভাই বোনসহ সবাই মিলে দিন দু-পুরে হত্যা-র উ-দ্দেশ্যে ম-ঞ্জুর আলমকে নির্মমভাবে মারধর করে। পুলিশের বার্তায় আরো বলা হয়েছে, প্র-ত্য-ক্ষদ-র্শী একজন উক্ত মারধরের ঘটনার ভি-ডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলে বিষয়টি জেলা পুলিশের নজরে আসে। এতে তা-ৎক্ষ-নিক জেলার ঈদ-গাঁও থানা পুলিশের একটি টিম ম-ঞ্জু-রের স্ত্রীসহ উক্ত ঘটনার সাথে জ-ড়িৎ সকলকে গ্রে-ফতা-র করে।













































