প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

দেহের এই ই’ঙ্গিতগুলো জা’নান দিচ্ছে আপনি মা’রাত্মক কিডনি সম’স্যায় ভুগছেন!

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

কি’ডনি মানবদে’হের খুবই গু’রুত্ব পূর্ণ একটি অংশ। শ’রীরের র’ক্তকে বিশুদ্ধকরণের জন্য কি’ডনির কা’র্যকারিতা অপরিসীম। আর তা যদি কোনো কারণে ন’ষ্ট হয়ে যায়, তবে তার আগাম জা’নান দেয় আমাদের দে’হে ঘ’টে যাওয়া কিছু লক্ষণ। তাই কি’ডনি সবসময় স্বা’ভাবিক ভাবে কাজ করে কিনা তা জা’নার জন্য কি’ডনির বিভিন্ন লক্ষণগুলোর উপর আমাদের অবশ্যই নজর রাখা এবং সজাগ থাকা অত্যন্ত জ’রুরি। চলুন তবে জে’নে নেয়া যাক কি’ডনি স’মস্যায় আক্রা’ন্ত হওয়ার লক্ষণগুলো-

কি’ডনির অস্বা’ভাবিক ক্রিয়া: কি’ডনির অস্বা’ভাবিকতা গু’রুত্ব র স্বা’স্থ্য স’মস্যার কারণ হতে পারে। এখানে কিছু সূচক এবং লক্ষণ বা উ’পসর্গ উল্লেখ করা হলো যেগুলো দেখা দিলে কি’ডনিকে সু’স্থ রাখার জন্য স’ত’র্কতা অবলম্বন ক’রতে হবে।

ঘাম: কি’ডনি ও মূত্রনালী শ’রীরের পানির ভারসাম্য র’ক্ষার কাজ করে। তাই যদি দেখা যায় খুব বেশি ঘাম হচ্ছে বা একেবারেই হচ্ছে না, তখন বুঝতে হবে যে কি’ডনির কাজে কোন ব্যা’ঘাত ঘটছে। যারা সাধারণত বেশি ঘামেন তারা সৌন্দর্যবোধ সংক্রা’ন্ত কারণে অস্বস্থিবোধ করেন। তাই অত্যাধিক ঘামের জন্য একটি প্রাকৃতিক সমাধান বের ক’রতে হবে এবং সেই স’ঙ্গে কি’ডনির কা’র্যকারিতা ঠিক আছে কিনা তা দেখার জন্য ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

দে’হে শ’ক্তির অভাব দেখা দিলে: অত্যাধিক শা’রীরিক ও মা’নসিক কাজে’র পর ক্লান্ত লা’গা স্বা’ভাবিক। তবে যদি এই অবস্থার সময়টা খুব বেশি বাড়তে থাকে তবে অবশ্যই তা স্বা’ভাবিক নয়। আবার যদি দেখা যায় কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় ক্লান্ত লাগে সেটাও স্বা’ভাবিক নয়। অলসতা ও ক্লান্ত লা’গাও কি’ডনি ও লিভারের কাজে’র অস্বা’ভাবিকতাই প্র’কাশ করে। তাই কি’ডনির ক্ষ’তিকর পদার্থ দূ’র ক’রতে প্রাকৃতিকভাবে শ’রীরকে পরি’ষ্কার করা ও বিষাক্ততা দূ’র করার ব্যব’স্থা গ্রহণ ক’রতে হবে। তা নাহলে স্বা’স্থ্যের জন্য ক্ষ’তিকর হতে পারে।

শ’রীরে তরল জমে ফুলে যাওয়া: আম’রা জানি যে কি’ডনি শ’রীরের তরল পদার্থকে নিয়ন্ত্রিত করে। তাই কি’ডনির ত্রুটিপূর্ণ কাজে’র ফলে শ’রীরের এক অংশের তরল অন্য অংশে গিয়ে জমা হতে পারে। বিশেষ করে পা, পাকস্থলী, চোখের কোল ও চোখের পাতায় তরল জমা হয়ে ফুলে যেতে পারে। এই উ’পসর্গগুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে যে কি’ডনি ভালো ভাবে কাজ করছে না এবং দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের প’রামর্শ নিতে হবে।

শ্রবণশ’ক্তির স’মস্যা: শুনে যদিও অ’বাক লাগতে পারে, তবুও কানে শুনতে স’মস্যা হওয়াও কি’ডনির কাজে’র অপ্রতুলতা প্র’কাশ করে। এই ব্যাপারটি তাদের জন্যই জ’রুরি যাদের মাঝে মাঝে শ্রবণশ’ক্তি কমে যায়। তাই এই অব’স্থায় কি’ডনির কা’র্যকারিতা প্রাকৃতিকভাবে উন্নত হবে এমন কোনো ব্যব’স্থা গ্রহণ করা উচিত।

কোমরের নিচে ব্য’থা: সাধারণত কোমরের নিচের দিকে যেখানে কি’ডনি থাকে সেখানে চা’প দিলে যদি ব্য’থা বা কোনো ধ’রনের অস্বস্থি অনুভূত হয় তাহলে বুঝতে হবে যে কি’ডনি যততুকু ভালো কাজ করা উচিত ততটা ভালো কাজ করছেনা। তাই কোমরের নিচের দিকের ব্য’থা হলে তা উপেক্ষা না করে দ্রুত ব্যব’স্থা নেয়া উচিত।

হাঁটুতে ব্য’থা: কি’ডনি সাধারণত জয়েন্টগুলোর বিশেষ করে হাঁটুর সু’স্থতার স’ঙ্গে যুক্ত। যদি সাধারণ কোনো কারণ ছাড়াই হাঁটুতে ব্য’থা অ’নুভব করেন তাহলে বুঝতে হবে কি’ডনিতে কোনো স’মস্যা হতে পারে। তাই হাঁটু ব্য’থা হলে দ্রুত ব্য’থার কারণ খুঁজে বের করা এবং তা চিকিৎ’সার ব্যব’স্থা নিতে হবে।

লবণাক্ত খাবারের ইচ্ছা বেড়ে যাওয়া: মাঝে মাঝে দেখা যায় যে নির্দিষ্ট কিছু খাবার যেমন মিষ্টি, ঝাল, লবণাক্ত, মশলাযুক্ত ইত্যাদি খাবারের ইচ্ছা হ’ঠাৎ বেড়ে যায়। শ’রীরে নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের অভাবের কারণে এমন হতে পারে। তাই যদি লবণাক্ত খাবারের ইচ্ছে হ’ঠাৎ করে বেড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে কি’ডনির কাজ বা’ধাগ্রস্থ হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় শ’ক্তির অভাবে এমন হয়ে থাকে। তাই এসব প’রিস্থিতিতে এর কারণ জা’না খুবই প্রয়োজন। তা না হলে শ’রীরের অবস্থা গু’রুতরভাবে খা’রাপ হতে পারে।

কীভাবে র’ক্ষা করবেন কি’ডনি: যদি কারো কি’ডনির গু’রুত্ব র স’মস্যা থাকে তবে প্রাকৃতিক চিকিৎ’সা শুরু করার আগে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ এর প’রামর্শ নিতে হবে। তবে কারো যদি তেমন গু’রুত্ব র স’মস্যা না থাকে তাহলে প্রাকৃতিক উপায়ে কি’ডনিকে বছরে একবার পরি’ষ্কার করা উচিত। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে কি’ডনির বিষাক্ততা দূ’র করার জন্য যেমন-

-কি’ডনির জন্য বিশেষ চা।
-কি’ডনির প্রদাহের জন্য জুস এবং পেঁয়াজে’র স্যুপ।
-বিষাক্ততা দূ’র করার জন্য ফল ও সবজির প্রাকৃতিক জুস।
-কোমরের নিচের দিকে যেখানে কি’ডনির অব’স্থান সেখানে গরম সেঁক দেয়া।
-কি’ডনিতে পাথরের চিকিৎ’সার জন্য বিশেষ চা।
ব্য’ক্তি বিশেষের ক্ষেত্রে কোন উপায় কার জন্য সঠিক তা জে’নে কি’ডনির বিষাক্ততা দূ’র করার ব্যব’স্থা গ্রহন ক’রতে হবে। আর গু’রুত্ব র অব’স্থায় অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব চিকি’ৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।