রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। অ’ভিনেত্রী তকমা’র পাশাপাশি তিনি একজন মডেল, গায়িকা ও সমাজকর্মী। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার অর্জনের পাল্লা বেশ ভা’রী। অ’ভিনয়ে সাড়া ফেলার পাশাপাশি চাকরি জীবনেও দেখিয়েছেন দক্ষতা। শিক্ষা জীবনেও তিনি ছিলেন সেরাদের সেরা। নিয়মিত নাট’ক, বিজ্ঞাপনে হাজির হলেও ‘অমানুষ’ সিনেমা’র মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় পথচলা শুরু করলেন তিনি। পাশাপাশি এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে তার লেখা ‘তানজানিয়ার দ্বীপে’ বই।
প্রথমবারের মতো সিনেমায় অ’ভিনয় করছেন, অনুভূতি কেমন জানতে চাইলে মিথিলা জানান, অনেক এক্সাইটেড। অ’ভিনয়ের জায়গা থেকে আমি আমা’র সর্বোচ্চ দিবো, এখন দর্শকের কেমন লাগে সেটাই দেখার বিষয়। আমা’র চরিত্রের নাম নুদরাত। এখানে আমাকে একজন নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশি হিসেবে দেখা যাবে। আমি বিদেশে বড় হয়েছি। বড় হয়ে দেশে বেড়াতে এসেছি। কিন্তু দেশে এসেই আমি বিপদে পড়ি। কিভাবে বিপদে পড়ি, কেন বিপদে পড়ি আর কিভাবে বিপদ থেকে উ’দ্ধার হই, সেটি নিয়েই গল্প।
মিথিলা জানালেন, আমি নিয়মিত অ’ভিনয় করতে চাই। ভালো গল্প, ভালো চরিত্রের জন্য অ’পেক্ষা করি। এতদিন অ’পেক্ষা করেছি। আমা’র মে’য়ে ছোট ছিল। তাছাড়া চাকরি, পড়াশোনা সব মিলিয়ে বেশ ব্যস্ততায় কে’টেছে। বর্তমানে আমি জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আর্লি চাইল্ডহুড এডুকেশন’ নিয়ে পিএইচডি করছি। তবুও এখন মনে হচ্ছে কিছুটা সময় পেয়েছি এবং ভালো গল্পের সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পেরেছি। তাই মনে হয়েছে কাজটা শুরু করা যায়। দুই বাংলাতেই বেশ কিছু কাজের কথা চলছে। কিন্তু কোভিডের কারণে সেগুলো থমকে আছে। ভালো গল্প, ভালো চরিত্র পেলে আমি সামনে আরও কাজ করবো। কাজ নিয়েই থাকতে চাই, কাজ নিয়েই বাঁচতে চাই।
মে’য়ে আই’রার সঙ্গে অ্যাডভেঞ্চার নিয়ে বই লিখলেন, এমন ভাবনা কেন এলো? এই অ’ভিনেত্রী জানালেন, বাংলাদেশে শি’শুদের উপযোগী বইয়ের খুব অভাব। শি’শুদের কি ধরনের বই প্রয়োজন সে বিষয়ে আমা’র গবেষণা করা আছে। তাই আমা’র মনে হয়, আমি যদি আমা’র অ’ভিজ্ঞতাটা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারি তাহলে সেটি তাদের কাজে আসবে।
আসছে ঈদে নতুন কী’ চ’মক থাকছে? ঈদে অনেকগুলো চ’মক থাকবে। বেশ কিছু নাট’ক দেখা যাবে। চরকির জন্য একটা শর্টফিল্ম করছি, সেটা ঈদে আসবে কিনা জানি না। আর সিনেমা তো থাকছেই।













































