রাজধানীর গুলশানে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামের এক তরুণী অ’ভিযোগে বসুন্ধ’রা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে দায়ী করে মা’মলা দায়ের করেছেন ঐ তরুণীর বোন নুসরাত জাহান। সায়েম সোবহান আনভীর বসুন্ধ’রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের ছে’লে।
রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর দেহ উ’দ্ধারের পর মুনিয়ার বড় বোন সোমবার গভীর রাতে এই মা’মলা করেন।
মা’মলার বরাত দিয়ে উপকমিশনার বলেন, ‘মেয়েটির সঙ্গে বসুন্ধ’রা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের স’ম্পর্ক দুই বছরের। আনভীর এক বছর মেয়েটিকে বনানীর ফ্লাটে রাখেন। পরে আনভীরের সঙ্গে মনোমালিন্য হলে তিনি কুমিল্লায় চলে যান। তবে মা’র্চ মাসে ঢাকায় এসে গুলশানের ওই ফ্লাটে থাকা শুরু করেন।’
তিনি বলেন, ‘২৩ এপ্রিল একটি ইফতার পার্টি হয় ওই বাসায়। ওই পার্টির ছবি ফেসবুকে আপলোড করা হলে মেয়েটির সঙ্গে আনভীরের মনোমালিন্য হয়। পরে মেয়েটি তার বোনকে ফোন করে জানান, যে কোনো মুহূর্তে তার যে কোনো ঘটনা ঘটতে পারে।’
এই ফোনের পর কুমিল্লায় থেকে সোমবার বিকেলে ঢাকায় আসেন ওই তরুণীর বোন। তবে গুলশানের ফ্লাটটির দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান তিনি। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে শোবার ঘরে তরুণী ম’রদেহ দেখতে পান।
উপকমিশনার সুদীপ বলেন, ‘সাক্ষ্য প্রমাণ হাতে আসলে বসুন্ধ’রা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের বি’রুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
গুরুত্ব বিবেচেনায় গুলশান থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা মা’মলার ত’দন্ত করছেন জানিয়ে উপকমিশনার বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে মা’মলার ত’দন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে উপকমিশনার বলেন, ‘চুক্তিপত্র অনুযায়ী ওই ফ্লাটের মাসিকভাড়া ১ লাখ টাকা। এবং অগ্রিম দেয়া হয়েছে দুই লাখ টাকা। এরই মধ্যে দুই মাসের ভাড়া পরিশোধ করা হয়েছে।’













































