প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

তা:লাক দেওয়া স্ত্রী’কে নিয়ে ঘুরতে কক্সবাজার গেলেন প্রধান শিক্ষক!

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

প্রে’মের জেরে এক বছর আগে ধ’র্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেছিলেন এক মু’সলিম নারীকে। কিন্তু বছর না ঘুরতেই সকলের অগোচরেই ওই নারীকে ডিভোর্স দেন। এমনকি ডিভোর্সের বি’ষশটি ওই নারীও জানতেন না। ডিভোর্সের নোটিশ হাতে পাওয়ার আগে ওই না’রীকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন কক্সবাজারেও।

ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলে। অ’ভিযু’ক্ত ব্যক্তির নাম দীনো বন্ধু প্রামানিক। তিনি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজে’লার পাথরাইল ব’মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। সম্প্রতি তার বিরু’দ্ধে না জানিয়ে তালাক দেয়ার অ’ভিযোগ মনোয়ারা সিদ্দিকী’। বর্তমানে তিনি স্ত্রী’র অধিকারের দাবিতে ওই নারী আ’দালতসহ সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

জানা গেছে, দীনো বন্ধুর বাড়ি মির্জা’পুর উপজে’লার ভূষন্ডি গ্রামে। মনোয়ারা সিদ্দিকী’ বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি তার স্বামী দীনো বন্ধু প্রামানিক ওরফে দ্বীন ইস’লাম তাকে তালাক দেন। কিন্তু বি’ষয়টি তিনি জানতেন না।

এর মাঝেই ১৬ মা’র্চ তিনি আ’ত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের সাথে কক্সবাজারে বেড়াতে গেলে দ্বীন ইস’লামও তার সাথে ফোনে যোগাযোগ করে ১৯ মা’র্চ কক্সবাজার যান। ওইদিন স্বামী পরিচয়ে হোটেলের পরিচয়বহিতে স্বা’ক্ষর দিয়ে ৪০৮ নম্বর রুমে সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত থাকেন। তবে সেখানে একসাথে ছবি তুল’তে চাইলেও তিনি ছবি তুলতে আগ্রহ দেখাননি।

এরপরও মনোয়ারা সিদ্দিকী’ কয়েকটি ছবি তুলেন। কিন্তু পরে অ’জ্ঞা’ত কারণে দ্বীন ইস’লাম অন্য একটি হোটেলে চলে যান। পরদিন সকালে আবার হোটেলে এসে আমাকে নিয়ে টেকনাফে বেড়াতে যান। পরে ২১ মা’র্চ কক্সবাজার থেকে ফিরে অ’জ্ঞা’ত ব্যক্তির মাধ্যমে তালা’কনামা হাতে পান মনোয়ারা। যেখানে ডি’ভো’র্সের তারিখ রয়েছে ২৮ জানুয়ারি।

মনোয়ারা বলেন, তাকে ডি’ভো’র্স দিয়ে ডি’ভো’র্সের খবর না জানিয়ে তার সাথে কক্সবাজার যাওয়ায় তিনি হ’তভ’ম্ব হন। এসময় তিনি আরও বলেন, তার প্রথম স্বামী অন্যত্র বিয়ে করায় তাদের ডিভোর্স হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দ্বীন ইস’লামের প্র’রোচনায় পড়ে আমি দ্বিতীয় বিয়ে করি । এই বয়সে তিনহ ঘর ছাড়া ‘হতে চাই না। তিনি তার স্বামীর সাথে সংসার করতে চান।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজে’লার পাথরাইল বহু’মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীনো বন্ধু প্রামানিক ধ’র্মান্তর হয়ে ইস’লাম ধ’র্মগ্রহণ করে দ্বীন ইস’লাম নাম রাখেন। এরপর ২০১৭ সালে টাঙ্গাইল শহরের একটি মা’র্কে’টে প্রধান শিক্ষক দিনোবন্ধু প্রামানিকের সাথে পরিচয় হয় মনোয়ার সিদ্দিকা নামে ওই গৃহবধূর।

একপর্যায়ে দিনোবন্ধু প্রামানিক দোকান কেনার কথা বলে কৌশলে ওই গৃ’হবধুর সাথে সম্প’র্ক করেন। স’ম্পর্কের সুবাধে ওই গৃহবধূকে ভা’রতের শিলিগু’ঁড়ি দার্জিলিং-এ নিয়ে দুইবার চিকিৎসা করান তিনি। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাভা’র পৌরসভা’র ৩নং ওয়ার্ড কাজী অফিসে গিয়ে কাজী মুমিনুল ইস’লামের মাধ্যমে মনোয়ার সিদ্দিকী’র সাথে চার লাখ টাকা দেনমোহরে তার বিয়ে হয়।