প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

তরমুজ ‌কিন‌ছেন পিস হি‌সে‌বে, বি‌ক্রি কর‌ছেন কে‌জি দ‌রে

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

কৃষি বিপণন আইন অনুযায়ী ফলের ক্ষেত্রে কেজিতে ১০ টাকা লাভ করতে পারবেন এমন বিধান রয়েছে। তবে তরমুজের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা আছে। কেজিপ্রতি তিন থেকে পাঁচ টাকার বেশি লাভ করতে পারবেন না। আর কেজি বা পিস যেভাবেই কিনবেন সেভাবেই বিক্রি করতে হবে।

ব‌রিশা‌লের তরমুজ ব্যবসায়ীরা কৃষ‌কের কাছ থে‌কে পিস হি‌সে‌বে কিন‌ছেন। কিন্তু কৃষি বিপণন আইন ভে‌ঙে সেই তরমুজ কে‌জি দ‌রে বি‌ক্রি কর‌ছেন। ক্রেতারা সেই তরমুজ প্রতি‌কে‌জি ৫০ থে‌কে ৬০ টাকা দ‌রে কিন‌তে বাধ্য হ‌চ্ছেন। তা‌তে ক‌রে প্রতি‌টি তরমু‌জের দাম গ‌ড়ে ৫০০ টাকা বি‌ক্রি হ‌চ্ছে। যে‌টি তরমুজ ব্যবসায়ীরা কৃষ‌কের কাছ থে‌কে ১০০ থে‌কে ১৫০ টাকায় কি‌নে‌ছেন।

বটতলার ব্যবসায়ী সোহাগ জানিয়েছেন, একটি তরমুজ মোটামুটি ৫ কেজি থেকে ১৫ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। ৫০ টাকা করে কেজি ধরলেও সবচেয়ে ছোট সাইজের একটি তরমুজের দাম হয় ২৫০ টাকা। ১৫ কেজি ওজনের তরমুজের দাম হয় ৭৫০ টাকা।

‌সোহাগ আরো বলেন, সবাই কেজিতে বিক্রি করে, তাই আমিও করি। আম’রা ছোট বড় মিলিয়ে এক শ তরমুজ কিনি ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায়। পরিবহন খরচ আছে, কুলি চার্জসহ আরো নানান খরচ আছে। ছোট তরমুজগুলো বিক্রিতে লাভ নেই। যা লাভ করি বড় তরমুজেই।

জে’লা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার ব‌লেন, রমজানে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে তরমুজ খেটে-খাওয়া মানুষের নাগালের বাইরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ব্যবসায়ীরা তরমুজ কম দামে পিস হিসেবে ক্রয় করে ক্রেতাদের কাছ অধিক দামে কেজি দরে বিক্রি করছেন। প্রতিকেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০/৬০ টাকা করে। এতে একটি ভালো তরমুজ ক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় যা সাধারণ মানুষের জন্য কিনে খাওয়াটা ক’ষ্টসাধ্য। তাই তরমুজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে মোবাইল কোর্ট অ’ভিযানে ১৪ ব্যবসায়ীকে সোমবার জ‌রিমানা করা হ‌য়ে‌ছে।