রাজধানীর আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের একটি ভবনের টয়লেট থেকে ইস’রাত জাহান তুষ্টি (২১) নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছা’ত্রী ম’রদেহ উ’দ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। রবিবার (০৬ জুন) সকালে ম’রদেহটি উ’দ্ধার করা হয়।
ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগ থেকে জানা গেছে, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পলা’শী মোড়ের স্টাফ কোয়ার্টারের ১৮ নম্বর ভবনের একটি বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে উ’দ্ধার করেন। পরে তাকে ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ’ত ঘোষণা করেন।
তৃপ্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছা’ত্রী ছিলেন। থাকতেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের ৪২২ নম্বর কক্ষে। তবে হল বন্ধ থাকায় তিনি আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারে সাবলেট থাকতেন। তার বাড়ি নেত্রকোনা আটপাড়া উপজে’লার। বাবার নাম আলতু মিয়া।
ফায়ার সার্ভিসের পলা’শী ব্যারাক ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. সাইফুল ইস’লাম বলেন, অ’সুস্থতাজনিত কারণে তৃপ্তি বাথরুমের ভেতরে পড়ে মা’রা যেতে পারে বলে আম’রা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। তিনি শনিবার বৃষ্টিতে ভিজেছিলেন। এ ছাড়া তার ঠান্ডার সমস্যা ছিল বলে জানতে পেরেছি।
তৃপ্তির মৃ’ত্যুর কারণ নিয়ে একই কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সাফায়েত আহমেদ। তার বাড়িও নেত্রকোনায়। তৃপ্তিকে বাসা থেকে হাসপাতা’লে নেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে তিনি যু’ক্ত ছিলেন। সাফায়েত গণমাধ্যকে বলেন, শনিবার বিকালে দোকানে যাওয়ার সময় তৃপ্তি বৃষ্টিতে ভিজে গিয়েছিল। আগে থেকেই তার অ্যাজমা (হাঁপানি) ও শ্বা’সক’ষ্টের সমস্যা ছিল। বৃষ্টিতে ভিজে শরীর খা’রাপ লাগায় গতকাল সে আর বাসা থেকে বের হয়নি। পরে রাতে যখন রুমের সবাই ঘুমিয়ে পড়ে, সে তখন ওয়াশরুমে যায়। ঠিক কখন সে ওয়াশরুমে গিয়েছিল, তা কেউ বলতে পারছে না।
তিনি আরও জানান, ভোরের দিকে রুমমেটরা সাড়াশব্দ পায়, কিন্তু বাথরুমটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। আমি অন্য জায়গায় থাকি। ইশরাতের রুমমেট ও সহপাঠী রাহনুমা তাবাসসুম রাফি আমাকে ফোন দিলে আমিও সেখানে যাই। পরে ৯৯৯-এ ফোন দেওয়ার পর পু’লিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে সাতটার দিকে অ’জ্ঞান অবস্থায় তৃপ্তিকে বাথরুম থেকে বের করে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা’লে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃ’ত ঘোষণা করেন।













































