শচীন টেন্ডুলকারের ক্যারিয়ারে একটাই অ’তৃপ্তি ছিল। গোধূলিবেলায় এসে সেটাও পেয়ে গেছেন। সেটি ঘরের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপ জেতা। ২০০ টেস্ট খেলেছেন, খেলেছেন সাড়ে চার শর বেশি ওয়ানডে। তিন সংস্করণ মিলে ৩৪ হাজারের বেশি রান করেছেন।
ব্যক্তিগত রানের পরিসংখ্যানে সবাইকে ছাপিয়ে অনেক অনেক ওপরে। সবকিছু মিলিয়ে খেলোয়াড়ি জীবনে টেন্ডুলকার সবকিছুই অর্জন করেছেন, তা বলা যায়। কিন্তু ক্রিকেট খেলোয়াড় হিসেবে এমন দুটি দুঃখ আছে তাঁর, যা কখনোই আর ঘোচাতে পারবেন না। টেন্ডুলকারের দুঃখটা হচ্ছে সাবেক দুই তারকা সুনীল গাভাস্কার ও স্যার ভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে কখনো ব্যাটিং করা হয়নি। টেন্ডুলকারের অ’ভিষেক হওয়ার আগেই ব্যাট তুলে রেখেছেন গাভাস্কার।
স্যার ভিভের বিপক্ষে কাউন্টি ক্রিকে’টে খেলা হলেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তো আর খেলা হয়নি। ইচ্ছা করলেও এই দুটি দুঃখ আর কখনোই ঘোচাতে পারবেন না তিনি। ব্যক্তিগত দুটি আফসোস নিয়ে স্থানীয় ক্রিকেট ডট’কমের সঙ্গে কথা বলেছেন টেন্ডুলকার। তিনি বলেন, ‘আমা’র দুটি দুঃখ আছে। প্রথমটি হচ্ছে আমি কখনো সুনীল গাভাস্কারের সঙ্গে একই দলে খেলার সুযোগ পাইনি। বেড়ে ওঠার সময় গাভাস্কার ছিলেন আমা’র ব্যাটিং নায়ক।
তাঁর সঙ্গে খেলতে না পারাটা আমা’র জন্য দুঃখের। আমা’র অ’ভিষেকের কয়েক বছর আগেই অবসর নেন গাভাস্কার।’ গাভাস্কার ক্রিকেট থেকে অবসর নেন ১৯৮৭ সালে আর টেন্ডুলকারের অ’ভিষেক হয় ১৯৮৯ সালে। ২০১৩ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া শচীনের আরেকটি আফসোসের নাম রিচার্ডস। এ বিষয়ে টেন্ডুলকার বলেন, ‘আমা’র আরেকটি দুঃখ হলো ছে’লেবেলার নায়ক স্যার ভিভ রিচার্ডসের সঙ্গে খেলতে না পারা।
আমা’র সৌভাগ্য যে আমি কাউন্টি ক্রিকে’টে তাঁর বিপক্ষে খেলেছি। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকে’টে তাঁর বিপক্ষে আমা’র খেলা হয়নি। স্যার ভিভ ১৯৯১ সালে অবসর নেওয়ায় আমি দুই বছর সময় পেয়েছিলাম। কিন্তু তাঁর বিপক্ষে খেলা হয়নি।’ প্রায় দুই যুগের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে সর্বাধিক রানের রেকর্ড টেন্ডুলকারের দখলে, সেঞ্চু’রিও। টেস্টে ৫১ সেঞ্চু’রির সঙ্গে ওয়ানডেতে সেঞ্চু’রি ৪৯টি













































