আসানসোল (দক্ষিণ)-এর ভূমিকন্যা অ’গ্নিমিত্রা পালের একক জয় হলো বিজেপি প্রার্থী হিসেবে। নতুন দায়িত্ব কাঁধে। এমন জয়ে আনন্দিত অ’গ্নিমিত্রা পাল ভা’রতীয় গণমাধ্যমে বলেন, জয়টা অবশ্যই আনন্দের। কিন্তু এ আনন্দেও যেন বিষাদ।
দল জিতলো না। সেটাই কাঁ’টার মতো বিঁধছে। দল জিতলে বাংলার উপকার হত। তখন মন থেকে উদ্যাপন করতে পারতাম। আর যেহেতু এখনও অ’তিমা’রি ছেড়ে যায়নি তাই এক্ষুণি ঢাকঢোল পি’টিয়ে উদযাপন করতে চাই না।কমতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সেটা ভাল বলতে পারবেন। অনেকেই বলছেন, ‘ধ’র্মগন্ধী’ বা ‘বহিরাগত’ তকমাগুলোই নাকি পরাজয়ের কারণ। আমি মানি না।
লকেট চট্টোপাধ্যায় পরাজিত। অ’গ্নিমিত্রা পাল জয়ী। র’হস্যটা কী’? এমন প্রশ্নে তার উত্তর, এটা আমা’র কাছেও র’হস্য। মনে হয়, আমি পুরোপুরি রাজনীতিবিদ হয়ে উঠতে পারিনি বলে। পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদদের বাংলা পছন্দ করছে না। সম্ভবত আমা’র জয়ের এটাই কারণ। তা ছাড়া, আমি আসানসোলের ভূমিকন্যা। বাবা দীর্ঘদিন অঞ্চলের স্বনামধন্য চিকিৎসক। সেই পরিচয়ও সাহায্য করেছে।
জয়ের আনন্দের পাশাপাশি দায়িত্বও বেড়ে গেল বলে মনে করেন অ’গ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, আসানসোল (দক্ষিণ)-এর প্রত্যন্ত গ্রামে অনেক কিছু নেই। আমি স্থানীয় মহিলাদের কথা দিয়েছি পানীয় জল, রাস্তা, শৌচালয় সহ একাধিক পরিষেবার ব্যবস্থা করে দেব। এখন দুশ্চিন্তা হচ্ছে, দেওয়া কথা রাখতে পারব তো?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ সালে বলেছিলেন, শাসকদলের পাশাপাশি বিরোধীরাও এই রাজ্যে সমান ম’র্যাদা পাবেন। রাজনীতিতে, কাজের ক্ষেত্রে তাদের সমান অধিকার থাকবে। আমি তার কথা বিশ্বা’স করি।













































