প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

‘ঘরে থাকলে খাবার নাই, মার্কেটে গেলে টাকার অভাব নাই’

1
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

সারা’বিশ্বে করো’না ভাই’রাসে সংক্রমিত হওয়ায় ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে সব দেশের রাষ্ট্র প্রধানরা। তার ব্যতিক্রম ঘটেনি বাংলাদেশেও। করো’না ভাই’রাসের বিস্তার ঠেকাতে দেশের সকল মানুষকে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছিল সরকার। তখন মানুষজন বলছিল ঘরে থাকব খাব কি? ঘরেতো খাবার নেই। এই কথা বলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলেছিল সবাই। অথচ শপিংমলগুলো খুলে দেয়ায় সেখানে মানুষের কমতি নেই। একেই বলে বাঙালি। ঘরে থাকতে বললে খাবার নেই অথচ মা’র্কে’টে গেলে টাকার অভাব নেই। ২৫ এপ্রিল রোববার সকালে এমনই চিত্র দেখা গেছে বগুড়ার শেরপুরের মা’র্কেটগুলোতে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিকে চীনের উহান প্রদেশে প্রথম করো’না ভাই’রাসের উৎপত্তি হয়। ২০২০ সালের জানুয়ারী মাসেই পর্যায়ক্রমে সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে পড়ে এই ভাই’রাস। মা’র্চ মাসের ৮ তারিখে বাংলাদেশেও ধ’রা পড়ে করো’না ভাই’রাসটি। তার পর থেকে বিশ্লেষকদের সাথে পরাম’র্শের পর লকডাউন বিধি চালু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে না বেড়োনোর জন্য নির্দেশ দেন সরকার। কিন্তু কে শোনে কার কথা। আম’রা যে বাঙালি। যেটা করতে বলা হবে তা করে উল্টোটা করতেই আম’রা বেশি পছন্দ করি। তাইতো সবাই বললো ঘরে থাকবো খাব কি ? ঘরেতো খাবার নেই। অথচ সীমিত আকারে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ২৫ এপ্রিল থেকে শপিংমল খুলে দেয়ার কথা শুনেই সবাই আনন্দে ভাসতে লাগলো। স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্বের তোয়াক্কা না করে ধুমছে চলছে সবার কেনা কা’টা। রাজধানীর ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন মা’র্কেটগুলোতে মানুষের ঢল দেখেই বোঝা যায় যে এদের টাকার কোন অভাব নেই। এভাবেই অ’ভিযোগ করে কথাগুলো বলছিলেন, বগুড়ার সাংবাদিক ওয়াদুদ।

সামাজিক দুরত্ব, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার, মাস্কের ব্যবহারের কথা জানতে চাইলে বগুড়ার শেরশাহ নিউ মা’র্কে’টের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, আম’রা ক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে দোকানের সামনে আসতে বলছি কিন্তু তারা তো শুনছেইনা। তাহলে আম’রা কি করতে পারি?

এ ব্যাপারে উপজে’লা নির্বাহি কর্মক’র্তা মো. ময়নুল ইস’লাম বলেন, সরকারি নির্দেশ মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনে মা’র্কেটগুলো খোলা রাখার কথা। মাার্কেট ব্যবসায়ী নেতাদের সেই রকম নির্দেশনাই দেয়া হয়েেেছ। সরেজমিনে গিয়ে বিষয়গুলো দেখব। যদি ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি না মানে তাহলে তাদের বি’রুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।