বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ’ণ্ড মওকুফের এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির রয়েছে বলে জানিয়েছেন দু’র্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান আইন কর্মক’র্তা মো. খুরশিদ আলম খান। রোববার বিকালে খালেদা জিয়ার বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান।
চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আবেদন আইন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর তার সামনে দুটি পথ খোলা আছে বলে মনে করছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম। তিনি বলেন, ‘এটা চাইলে তারা আ’দালতে যেতে পারেন। সেখানে আ’দালতের ইচ্ছা, তাকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেবে কি-না। বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেয়া সরকারের এখতিয়ারে নেই। আইন মন্ত্রণালয় সঠিক সিদ্ধান্তই দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘যদি দ’ণ্ড মওকুফের বিষয় আসে তাহলে রাষ্ট্রপতির কাছে যেতে হবে। যদিও এর আগেও দুদকের আইনজীবী বার বার বলে আসছিলেন, দুদকের মা’মলায় দ’ণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে হলে আ’দালতের অনুমতি নিয়েই যেতে হবে।’
রাজধানীর এভা’রকেয়ার হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন বিএনপি নেত্রীকে বিদেশ নিয়ে যেতে সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন তার ভোট ভাই শামীম এস্কান্দার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আবেদনটি পর্যালোচনার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল।
খালেদার চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আইন মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসে। এরপর দুপুরে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানান, দ’ণ্ডপ্রাপ্ত আ’সামি হওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেয়ার বিধান আইনে নেই। ফলে বিএনপি নেত্রীকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেয়া যাচ্ছে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আইন মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় খালেদার সাজা স্থগিতের সুবিধা দেয়া হয়েছে। ফলে দ্বিতীয়বার সাজা মওকুফ করে তাকে বিদেশে পাঠানোর অবকাশ ৪০১ ধারায় নেই।













































