ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) শুরুর আগেই করোনাভাইরাস বাসা বেধেছিল দেবদূত পাডিকালের শরীরে। খেলতে পারেননি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে প্রথম ম্যাচ। তবে করোনাকে হার মানিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচ দিয়েই মাঠে ফেরেন তরুণ এই ওপেনার।
মাঠে ফিরে প্রথম দুই ম্যাচে তেমন আহামরি কিছু করতে পারেননি পাডিকাল। কিন্তু রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ঠিকই জ্বলে উঠেছেন তিনি। গেল আসরে ৫ ফিফটি হাঁকানো ২০ বছর বয়সি এই ব্যাটসম্যান নিজের তৃতীয় ম্যাচে তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি। মাত্র ৫২ বলে ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন পাডিকাল। দলকে জিতিয়েছেন ১০ উইকেটে। তার সঙ্গে বিরাট কোহলিও অপরাজিত ছিলেন ৪৭ বলে ৭২ রানে। এদিকে পাডিকাল যখন সেঞ্চুরির দুয়ারে ছিলেন,
তখন দলও জয়ের দ্বারপ্রান্তে। তখন দেবদূত নিজের সেঞ্চুরির কথা না ভেবে কোহলিকে বলেছিলেন ম্যাচ শেষ করতে। কিন্তু ভারতের অধিনায়ক এই তরুণকে ধমক দিয়ে সেঞ্চুরি করিয়েছেন। কোহলি জানান, ‘দেবদূত যখন সেঞ্চুরির কাছাকাছি ছিল তখন আমাদের মধ্যে কথা হয়েছিল। ও আমাকে বলছিল, এবার তুমি ম্যাচটা শেষ করে দাও। আমার সেঞ্চুরির জন্য ভেবো না, অনেক সেঞ্চুরি করার সুযোগ পাব। আমি তখনই ওকে ধমক দিয়ে বললাম, আগে এটা কর।
সেঞ্চুরি করার পরে আমাকে এসে বলবে যে এরকম সেঞ্চুরি আরও করব।’ দেবদূতের ভূয়সী প্রশংসা করেকোহলি বলেন, ‘আসলে ও যেভাবে খেলেছে, তাতে এই সেঞ্চুরি ওর প্রাপ্য ছিল। দুর্দান্ত এক ইনিংস! একেবারে নিখুঁত! গত বছরও দেবদূত ভালো খেলেছিল, ওটাই ছিল ওর প্রথম বছর। আমি চাই ও নিজেকে আরও ভালোভাবে তৈরি করুক ও দলে বড় অবদান রাখুক। ও অনেক প্রতিভাবান। ভবিষ্যতের জন্য ওর ওপর ভরসা করাই যায়।’ চলতি আসরে নিজেদের প্রথম চার ম্যাচেই জয় পেল বেঙ্গালুরু।
তবে এখনই সমর্থকদের অতি উৎসাহিত হয়ে না পড়ার সতর্কবার্তাও দিয়ে রেখেছেন অধিনায়ক কোহলি। তিনি বলেন, ‘সমর্থকদের বলব, এখনই অতিরিক্ত উৎসাহিত না হতে। আমরা সবাই পেশাদার খেলোয়াড়। সবাই জানি, যেকোনো সময়ই দল ছন্দ হারাতে পারে। তাই আমরা ধাপে ধাপে এগোতে চাই।’












































