প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

করোনার যে দুঃসংবাদ আগে আর আসেনি

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

বিশ্বজুড়ে গত দেড় বছরে করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত হয়ে অন্তত ৬৯ লাখ মানুষ মা’রা গেছেন, যা দেশগুলোর সরকারি হিসাবের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। সম্প্রতি যু’ক্তরাষ্ট্রের ইউনিভা’র্সিটি অব ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড এভাল্যুয়েশন (আইএইচএমই)-এর বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্সের।

আইএইচএমই’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশিরভাগ দেশ শুধু হাসপাতা’লে মা’রা যাওয়া রোগীদের গণনা করায় মৃ’তের প্রকৃত সংখ্যা গো’পন থেকে যাচ্ছে।

বিশ্বের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার তুলনামূলক হিসাব তুলে ধ’রা একটি স্বাধীন স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা আইএইচএমই। অ’তীতে হোয়াইট হাউসও সংস্থাটির দেয়া তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়েছে। এর প্রতিবেদনগুলো জনস্বাস্থ্য কর্মক’র্তারা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। আইএইচএমই’র মতে, কোনো দেশে করো’নায় মৃ’ত্যুর হারের সঙ্গে সেখানে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যার খুব ঘনিষ্ঠ স’ম্পর্ক রয়েছে।

সংস্থাটির পরিচালক ক্রিস্টোফার মুরে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আপনি যদি পরীক্ষা খুব বেশি না করেন, তাহলে করো’নায় অনেক মৃ’ত্যু এড়িয়ে যাবেন।

মহামা’রিপূর্ব সময়ে সব ধরনের কারণে মৃ’ত্যুর প্রবণতার সঙ্গে মহামা’রির সময়ে সর্বমোট মৃ’ত্যুর সংখ্যার তুলনামূলক হিসাব করে করো’নায় মৃ’ত্যুর সম্ভাব্য প্রকৃত সংখ্যা বের করেছে আইএইচএমই।

তাদের হিসাব বলছে, যু’ক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত করো’নায় অন্তত ৯ লাখ ৫ হাজার মানুষ মা’রা গেছেন। অথচ দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) হিসাবে বলা হচ্ছে, সেখানে করো’নায় মৃ’তের সংখ্যা ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৪৯১ জন।

আইএইচএমই’র এই প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি সিডিসি। অবশ্য ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড এভাল্যুয়েশনের এই বিশ্লেষণে শুধু সরাসরি করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত হয়ে মৃ’ত্যুর হিসাব করা হয়েছে। মহামা’রির কারণে সৃষ্ট চিকিৎসা সংকটে যেসব মৃ’ত্যু হয়েছে, তা গোনায় ধ’রা হয়নি।

মুরে বলেন, অনেক দেশ মহামা’রিতে ভুক্তভোগীদের সংখ্যা নির্ণয়ে অসাধারণ প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তবে আমাদের বিশ্লেষণ দেখিয়ে দিয়েছে, একটি নতুন এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সংক্রামক রোগ স’ম্পর্কে সঠিকভাবে অনুসন্ধান করা কতটা কঠিন।