যদি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধির রাশ টেনে ধরা না যায়, তবে ‘কয়েক সপ্তাহের মধ্যে’ ইরান পা’রমা’ণবিক বো’মা বা’নিয়ে ফেলতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন এ সতর্কবার্তা দেন। খবর আরব নিউজের।
তেহরান এবং বিশ্ব শক্তিগুলো ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি বাঁচানোর চেষ্টার মধ্যে জা’তিসংঘের পার’মাণবিক নজর’দারি সংস্থার প্রধান বলেছেন, ইরানের পারমা’ণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শন করার জন্য একটি অস্থায়ী ব্যবস্থার মেয়াদ বাড়ানো ‘ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে’।
এ চুক্তিতে আন্তর্জাতিক প’রিসরে নিষে’ধা’জ্ঞার হাত থেকে ইরান’কে রক্ষা করার কথা বলে হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের পা’রমাণ’বিক ক’র্মসূচির লাগাম টেনে ধরার সুযোগ পেয়েছিল বিশ্ব শ’ক্তিগুলো। কিন্তু ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর থেকে কার্যত এ চুক্তি ‘মৃ’ত’। এর পর ট্রাম্প ইরানের ওপর নি’ষে’ধাজ্ঞা আরোপ শুরু করেন। পাল্টা পদ’ক্ষেপ হিসেবে ইরানও চুক্তি মানা বন্ধ করে দেয় এবং ইউরে’নিয়াম সমৃদ্ধ করা বাড়িয়ে দেয়।
পরিপ্রেক্ষিতে অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন বলেন, চুক্তিতে ফেরার জন্য যা যা করা দরকার তা করতে ইরান প্রস্তুত কিনা তা এখনও অস্প’ষ্ট। ইতোমধ্যে দেশটির পর’মাণু কর্মসূচি দ্রুত এগি’য়ে চলছে। এভাবে চলতে থাকলে কয়েক সপ্তা’হের মধ্যে তারা প’রমাণু অ’স্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হবে।
ভিয়েনায় পর’মাণু চুক্তি নিয়ে ইরা’নের সঙ্গে অংশীদাররা আলোচনা করছে। ২ জুন পঞ্চম দফার আলোচনার পরও কোনো ধরনের সমাধান মেলেনি। এখন ষষ্ঠ দফার আলোচনার অপেক্ষা করছে উভয়পক্ষ। ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১৮ জুন। ভোটে জিতে কট্টর কেউ প্রেসিডেন্ট হয়ে এলে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।













































