একই দিনে এক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের করার উদ্দেশ্যে বরযাত্রী নিয়ে খুলনায় গেল যুবক। শুনতে আজব মনে হলেও এরকমই ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের জামিরতা গ্রামে।জানা যায়, আজ সোমবার (১৭ মে) শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের জামিরতা বাজার পাড়ার মোঃ হাকিমের ছেলে শরিফুল ইসলাম রায়হানের (২৫) সাথে খুলনা জেলার একটি মেয়ের বিয়ের দিন ঠিক ছিল। নব বধুকে বরন করে নেওয়ার সকল আয়োজন সম্পন্ন করে ফেলেছিল বড় পক্ষ।
বিপত্তি বাধে গতকাল রবিবার রাত আনুমানিক ১০টায়, হাকিমের ছেলের রায়হানের সাথে বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অবস্থান নেয় রানি খাতুন (২৪) নামের একটি মেয়ে। রানি খাতুন পার্শ্ববর্তী ব্যাপারী পাড়ার মোঃ রমজান শেখ এর মেয়ে।রাতভর চলে দেন দরবার, এরই মধ্যে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ওসমান আলী আপোষ মিমাংসার উদ্দেশ্যে ছেলের পক্ষ থেকে রানী খাতুনকে ৮ লক্ষ্ টাকা দেওয়ার বিনিময়ে আপোষ নামা করেন। পরবর্তীতেও মেয়েটি রায়হানের বাড়ি থেকে না গিয়ে বিয়ের দাবিতে অটল থাকে।
সরেজমিনে গেলে মেয়েটি জানায়, ঢাকার যাত্রাবাড়িতে নারায়নগঞ্জ মেডিকেল এসোসিয়েশনে দুজন একসাথে কাজ করার ফলে ১ বছর পূর্বে দুজনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারী খাগড়াছড়ি বেড়াতে গিয়ে রায়হান বিয়ের আশ্বাসে আমার সাথে্ দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। খাগড়াছড়ি থেকে ফিরে সে বাড়িতে চলে আসে, মোবাইলে কথা হলে সে বলে দ্রুত ফিরে এসে আমাকে বিয়ে করবে।
আমি লোকমুখে জানতে পারি যে আজ সোমবার খুলনার একটি মেয়ের সাথে তার বিয়ের সবকিছু ঠিক হয়ে গেছে। আমি আসার পর রায়হান আমাকে অস্বীকার করে, পরে স্থানীয় ৪নং ইউপি সদস্য আমার কাছ থেকে জোড়পূর্বক একটি কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছে।
পরে বেলা ৩টায় গ্রামের একটি বাড়িতে গোপনে স্থানীয় কাজী মোঃ রিপন কে ডেকে রায়হান ও রানির বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়, এবং তার কিছুক্ষণ পরেই বড়যাত্রী সহ রায়হান আরেকটি বিয়ে করার উদ্দেশ্যে বরযাত্রী সহ কয়েকটি হাইস মাইক্রোবাসে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার পোরজনা ইউনিয়নের বিট অফিসার এসআই আসাদুর রহমান জানান, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।













































