মিয়া খলিফা পর্ন দুনিয়ার একজন অন্যতম নায়িকা। তবে মিয়া খলিফা বেশিদিন ধরে পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেননি। ৩ মাসের জন্য কাজ করেন তিনি পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে। আর সেই ৩ মাসের ভুলের মাসুল তাকে দিয়ে যেতে হচ্ছে সারা জীবন। কিন্তু তিনি প্রাক্তন পর্নস্টার। তবে তিনি পর্নো ইন্ডাস্ট্রি থেকে তিনি মোট ১২ হাজার ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৮ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা) আয় করেছিলেন। তবে যারা পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন তারা পরবর্তীতে অন্য কোনো ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ পাননা।
তিনি ছেড়েছেন পর্ন ইন্ডাস্ট্রি। কিন্তু তার নামের পাশে রয়েই গেছে সেই তকমা। ১৯৯৩ সালে লিবিয়ায় তার জন্ম হয়, তবে ২০০১ সাল থেকে আমেরিকার বাসিন্দা তিনি।মাত্র তিনমাস কাজ করেছিলেন তিনি পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে, কিন্তু আজও তার পরিচয় সেই পর্নস্টার মিয়া খলিফাই হিসেবে।তিনি প্রাক্তন পর্নস্টার হলেও তাঁর নামের আগে বরাবরই পর্নস্টার খেতাবটা উঠে আসে৷ আর তাই নোংরামি, বিতর্ক, মানুষের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কখনই পিছু ছাড়েনি তাঁর। পড়াশোনাতেও বেশ ভালো ছাত্রী খলিফা।
তিনি এতো ভালো স্টুডেন্ট হওয়া সত্ত্বেও কেন পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলেন। তার কারণ হিসেবে মিয়া জানিয়েছিলেন,”আত্মসম্মানবোধই আমাকে এই দুনিয়ায় নামতে বাধ্য করেছিল, আসলে ছোটবেলা থেকেই আমার শরীরের ওজনের জন্য হাসির খোড়াক হতে হত, আমি কখনই ভাবিনি যে আমি কখনও কোনোও পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারি। তাই কলেজের পর যখন ওজন কমিয়ে যখন আমি খানিকটা তন্বী এবং সুশীলা হয়ে উঠি তখনই প্রথমবারের জন্য আমি পুরুষদের প্রশংসা পেতে শুরু করছিলাম, আর এটা ধরে রাখার জন্যই পর্ণ দুনিয়ায় নামা।”
কিন্তু বাস্তবে যেভাবে মিয়া ভেবেছিল তার সাথে ঠিক উল্টোটা হয়। কারণ বাস্তবতা খুব কঠিন। বাস্তবতা আলাদা। হিজাবের পর তাঁর সেক্সুয়াল ভিডিও রাতারাতি ভাইরাল হয়ে তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল, কিন্তু সেই একটাই নামে ‘পর্ণস্টার’। জানা গিয়েছিল যে পর্ন দুনিয়ায় আসার সিদ্ধান্ত জেনে তার বাবা মা তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিল। পর্ণ দুনিয়া ছেড়ে দিলেও আজও তাঁর জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র কমেনি।সম্প্রতি একটি ভিডিওতে ফের স্বমহিমায় পোশাকহীন শরীরে ধরা দিলেন প্রাক্তন পর্ণস্টার মিয়া খলিফা। যেখানে দেখা গিয়েছে, সম্পূর্ণ বস্ত্রহীন তাঁর শরীর, কিন্তু পোশাক রয়েছে তাও কিনা কেবল পুতির। তাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল হয় তার সেই ভিডিও।
https://platform.instagram.com/en_US/embeds.js













































