মুখের পোরস বা লোমকূপ বড় হলে আপনার সুন্দর মুখটাই মলিন হয়ে যায়। কারণ বাইরের ধুলোময়লা বলুন বা মেকআপের অবশেষ, পোরস বড় হলে সব কিন্তু ত্বকের গভীরে জমতে থাকে, আর তার অবশ্যম্ভাবী ফল ব্রণ বা অ্যাকনে। আর এই পোরসের সমস্যা সমাধানে আমরা কত কিছুই করে থাকি। তবে আজকের লেখাতে থাকছে এই পোরস সমস্যা সমাধানে সহজ একটি সমাধান আর তা হলো টক দইয়ের ব্যবহার।
চলুন তাহলে দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক মুখের পোরস সমাধানে টক দই এর ব্যবহারঃ
উপকরণঃ পরিমাণমত টক দই
ব্যবহার পদ্ধতিঃ (১) পরিমাণমত টক দইয়ের পাতলা প্রলেপ সারা মুখে লাগিয়ে মিনিট দশেক রেখে দিন।
(২) তারপর ঠান্ডা পানির ঝাপটায় ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন করলেই তফাত বুঝতে পারবেন।
দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড আর প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া লোমকূপে সংক্রমণ হতে দেয় না। তাহলে আর দেরি না করে আজই পোরসের সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করুন টক দই।
ত্বকের জন্য দই ময়েশ্চারাইজঃ রোদ, ধুলো-ময়লাতে ত্বকের অনেক ক্ষতি হয়। রুক্ষ আবহাওয়ায় ত্বক শুষ্ক ও টান টান হয়ে পড়ে। এজন্য প্রতিদিন ত্বকের ক্লিনিং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজিং করা প্রয়োজন। ত্বককে সঠিক ময়েশ্চারাইজ দিতে বাজার থেকে কেমিক্যাল উপাদান সামগ্রী না কিনে নিজেই তৈরি করতে পারেন ময়েশ্চারাইজার প্যাক। আর আজকের লেখাতে থাকছে দইয়ের ময়েশ্চারাইজ। দইয়ের যেমন রয়েছে স্বাস্থ্য উপকারীতা ঠিক তেমনি চুলের যত্নে রূপচর্চাতে রয়েছে এর অনেক গুন।
দইয়ের তিনটি হেয়ার প্যাকঃ চলুন তাহলে দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক ত্বকের জন্য দই ময়েশ্চারাইজ তৈরি পদ্ধতিঃ
উপকরণঃ (১) দই (২) মধু (৩) লেবুর রস (৪) পেঁপের পেস্ট
তৈরি ও ব্যবহার পদ্ধতিঃ
(১) আধা কাপ দইয়ে কয়েক ফোঁটা মধু মেশান। এর মধ্যে কিছুটা পেঁপের পেস্ট ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মেশান।
(২) এরপর এটা মুখে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করবে।
তাহলে আর দেরি কেনো আজই আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে নিন দই দিয়ে।













































