২৮ এপ্রিলের পর সামাজিক দূরত্ব ও সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে লকডাউন শিথিল করা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ জার্নালকে এসব তথ্য জানিয়েছেন তিনি।প্রতিমন্ত্রী বলেন, লকডাউনের মধ্যে কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় সংক্রমণের হার ও মৃ’ত্যু কমে আসবে বলে আশা করছি। তারপরও মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে জনসংযোগ কর্মক’র্তা আবদুল্লাহ শি’বলী সাদিক বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, লকডাউন আর দেয়া হবে না এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে লকডাউন শিথিল হবে। পরে অবস্থার অবনতি হলে আবার সিদ্বান্ত নেয়া হবে। তবে সবকিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনেই করতে হবে।
এদিকে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যেই আগামী ২৫ এপ্রিল (রোববার) থেকে দোকানপাট-শপিংমল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।শুক্রবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলে হয়েছে, সরকারি নির্দেশনা মেনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকানপাট-শপিংমল খোলা রাখা যাবে।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ঈদ সামনে রেখে দেশের অর্থনীতি সচল রাখা, নিম্ন আয়ের মানুষ জীবন-জীবিকার মতো দিকগুলো বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে শপিং মল ও দোকানপাট চালু রাখাসহ যাবতীয় কার্যক্রমের ক্ষেত্রে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।
প্রসঙ্গত, করো’নার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রথম লকডাউন ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত ছিলো। তবে ঢিলেঢালা এই লকডাউনে করো’না সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ না হওয়ায় সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দেয়। প্রথম দফায় ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এই লকডাউনের মেয়াদ ছিল। পরে সেটা আরো ৭ দিন বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়।












































