প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

আশরাফুলের কাছে হেরে গেলেন সাকিব

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

ওপেনার সৈকত আলী যখন আউট হলেন, তখন শেখ জামালের রান ১১.১ ওভারে মাত্র ৫৬। পড়ে গেছে চার উইকেট। ৪ ওভার বল করে মাত্র ১২ রানে সাকিব আল হাসান নিয়েছেন ২ উইকেট। কিন্তু মোহামেডান অধিনায়কের দাপট শেষ হতে না হতেই শুরু হয়ে যায় শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের অধিনায়ক নুরুল হাসানের দাপট।

নুরুলের ৩৪ বলে ৬৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৬১ রান করে শেখ জামাল। সেই রান তাড়া করে ১৬ রানে হারে সাকিবের মোহামেডান। অথচ ম্যাচের শুরুটা অন্য রকমই ছিল। মিডল অর্ডারে প্রথমে ইলিয়াস সানি ও পরে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে জুটি গড়েন নুরুল। জিয়ার সঙ্গে ৮০ রানের অপরাজিত জুটি গড়েন মাত্র ৩৫ বলে।

দুজন মিলে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে যেন ছক্কার বৃষ্টিই নামান! সোহানের ৩৪ বলে ৬৬ রানের ইনিংসে ছক্কা ছিল ৫টি, চার ৪টি। ১৭ বলে ৩৫ করা জিয়াও কম যাননি। এক চার ও তিন ছক্কা মেরেছেন তিনিও। রান তাড়া করতে নেমে আগের ম্যাচে ৫০ করা পারভেজ হোসেন আজ দ্রুতই আউট হয়ে যান। তিনে নেমে সাকিবও ব্যর্থ লম্বা ইনিংস খেলতে। মোহামেডানের আরেক বাঁহাতি ইরফান শুক্কুরও আউট হয়ে যান দ্রুতই।

মোহামেডানের টপ অর্ডারের তিন বাঁহাতির উইকেটই নেন শেখ জামালের অফ স্পিনার মোহাম্মদ এনামুল হক। পরে শামসুর রহমান আর নাদিফ চৌধুরী চেষ্টা করেও দলকে জেতাতে পারেননি। নাদিফ সর্বোচ্চ ৪৩ বলে ৫৭ রান করেন। বিকেলে বিকেএসপির দুই মাঠের দুই ম্যাচেও প্রত্যাশিত ফলই এসেছে। চার নম্বর মাঠে সৌম্য সরকারের ফিফটিতে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ১৩৩ রান ৭ উইকেট হাতে রেখেই টপকে যায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স।

পারটেক্সের বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে জিতেছে তামিম ইকবালের প্রাইম ব্যাংকও। তামিমের ৪৭ ও মোহাম্মদ মিঠুনের ৫৭ রানের সৌজন্যে প্রাইম ব্যাংক করেছে ১৬৭ রান। বাকি কাজটা করেন আরেক অভিজ্ঞ রুবেল হোসেন। এবারের লিগে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে চার ওভারে ৩০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

দুটি করে উইকেট নেন নাহিদুল ইসলাম ও নাঈম হাসান। পারটেক্সকে মাত্র ৯৫ রানে থামিয়ে ৭২ রানের বড় জয়ই পায় প্রাইম ব্যাংক।