
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচের নায়ক মুশফিকুর রহিম। ৮৭ বলে খেলেছেন ৮৩ রানের অতি কার্যকরি ইনিংস। প্রায় বলে বলে রান করেছেন অথচ পুরো ইনিংস জুড়ে বাউন্ডারি মাত্র ৫ টি। অর্থাৎ ৪ টি চার এবং ১ ছক্কায় বাউন্ডারির রান মাত্র ২২।
![]()
৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় আগুনের কড়াইয়ে ৬১ রানই নিয়েছেন দৌড় ঝাপ করে করে। এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরেই ধারাবাহিক মুশফিকুর রহিম। শরীরের আকৃতি এবং নিজের পেশিশক্তির সামর্থ বুঝেই অতিরিক্ত বাউন্ডারি মারার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে সিংগেল-ডাবলসের প্রতি নজর দিয়েই সফল হয়েছেন তিনি। যেহেতু ক্যারিবিয়ান দানব আন্দ্রে রাসেল, কিরোন পোলার্ডদের মত শক্তি দিয়ে খেলা ব্যাটসম্যান তিনি নন।
![]()
সেহেতু তাকে রানের জন্য চালাকি শটস, স্কুপ, সুই স্কুপের দিকে নিজর দিতে হয়। এসব ঝুঁকিপূর্ণ শটস খেলে মুশি যেমন সফল হয়েছেন তেমনি আউট হবার সংখ্যাটাও নেহাতই কম নয়। রবিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়েই আউট হয়েছেন ক্যাচ হয়ে। দলের অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা যখন রান করতে ব্যার্থ হচ্ছিলেন, তখন সম্পূর্ণ চাপ ছিল এই লিটিল মাস্টারের পিঠে। তাই বাধ্য হয়েই ঝুকি নিতে হয়েছে তাঁকে।
![]()
যার ফলে শতকের খুব কাছে গিয়েও পাওয়া হয়নি কাঙ্ক্ষিত শতকের দেখা। যা নিয়ে কথা উঠতে পারে, যখন সাবলিলভাবেই রান আসছে তখন এত ঝুকি নেয়ার কি দরকার? মুশফিক উত্তর দিয়েছেন তার নিজের মত করেই। মুশফিকুর রহিম বলেন, “আই অ্যাম নট আ বিগ গাই। সহজে বাউন্ডারি মারতে পারি না আমি। আমি পোলার্ড বা রাসেল নই। আমি নিজের শক্তির জায়গায় থাকার চেষ্টা করি। কন্ডিশনও আমাকে সুযোগ দেয়নি খুব বেশি বাউন্ডারি মারার।
![]()
আমি তাই সময় নিয়েছি, আস্তে আস্তে রান বাড়িয়েছি। একটা প্রান্ত নিরাপদ রাখতেও হতো আমাকে। সেটা আমি করেছি। রিয়াদ ভাইও সঙ্গ দিয়েছেন। আফিফ ও সাইফের ফিনিশং টাচ ছিল দুর্দান্ত।” পরিস্থিতিতে অনুযায়ী ব্যাটিং করেছেন উল্লেখ করে মুশফিক আরো বলেন, “ব্যাটিংয়ের জন্য এই উইকেট খুব সহজ নয়। শুরুতে লিটন ও সাকিবকে হারিয়ে আরা একটু চাপে ছিলাম।
![]()
তবে তামিম সেই সময় খুব ভালো ব্যাট করেছে, যে কারণে আমি সময় নিয়ে এগিয়ে যেতে পেরেছি। রিয়াদ ভাইও খুব ভালো ব্যাট করেছেন। সব মিলিয়ে এটা ভালো ম্যাচ ছিল, কারণ লম্বা সময় পর আমরা ঘরের মাঠে ওয়ানডে ম্যাচ খেলছি। ভালো ম্যাচ ছিল।













































