হালের ফ্যাশন দখল করেছে ‘ক্রকস’। বড়রা তো বটেই, বিশেষ করে ছোটদের পায়ে পায়ে ঘুরছে এই জুতো। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, এই জুতো পরা আদৌ সঠিক কি না? খেয়াল করে দেখেছেন এই নয়া জুতোর গড়ন? এই জুতোর পিছন দিকটি খোলা এবং একটি ঢিলে স্ট্র্যাপ দেওয়া থাকে।
এর ফলে গোড়ালি এবং গোড়়ালির ঠিক উপরের অংশে ভারসাম্য কমে যায়। এবং যাবতীয় স’মস্যার সূত্রপাত এখানেই।
চিকি’ৎসকরা বলছেন, এই জুতোগুলোয় গোড়ালি একেবারে অরক্ষিত অব’স্থায় থাকে। গোড়ালি এমন অরক্ষিত থাকলে যাবতীয় জো’র এসে পড়ে পায়ের পাতায়। এর থেকেই হয় মা’রাত্মক অসুখ ‘টেনডাইনাইটিস’। এর থেকেই হয় পায়ের পাতার নানা স’মস্যা। পাতার আ’কারে পরিবর্তন আসতে পারে, পায়ের আঙুল এবং নখে স’মস্যা হয়।
চিকি’ৎসকরা বলছেন, শুধু ‘ক্রকস’-ই নয়, যে কোনও ধ’রনের জুতো যার পিছন খোলা (যার মধ্যে হাওয়াই চপ্পলও পড়ে) পায়ের পক্ষে ক্ষ’তিকারক। কী কী স’মস্যা হতে পারে? বাচ্চাদের হাড় নরম হওয়ায় তাদের পায়ে ব্য’থা স্বা’ভাবিক। প্রবল যন্ত্রণা হতে পারে পায়ে। গোড়ালির কাছে রগে টান ধ’রতে পারে বয়স্কদের।
যন্ত্রণা এমন পর্যায়ে পৌঁছতে পারে যে, চলাফেরাই ব’ন্ধ হয়ে যাওয়ার জোগাড় হতে পারে। এমনকী পায়ের শেপও পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যা ভবিষ্যতে যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ফলে যে যা-ই বলুন, ক্রকস পড়লে পায়ের সর্বনাশ কিন্তু একপ্রকার অনিবার্য।













































