প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

আগামীকাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত

4
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

মহামা’রি করো’নাভাই’রাসের কারণে দেশের শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সেটাকে সচল করতে স্কুল-কলেজ খুলতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কবে থেকে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ক্লাস শুরু হবে, সে ঘোষণা আগামীকাল বুধবার আসতে পারে।

সেই সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগামীকাল সংবাদ সম্মেলন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ভা’র্চুয়ালি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মক’র্তা মোহাম্ম’দ আবুল খায়ের জানান, বুধবার দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। চলমান শিক্ষার সার্বিক দিক ও সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের বিষয়ে তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। করো’না মহামা’রির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ব্যাপারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহলের দাবির ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অবগত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ-খোলার ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা করো’না মোকাবিলায় সরকারের গঠিত পরাম’র্শক কমিটি ও আন্তঃমন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা জানান, আরও এক সপ্তাহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়িয়ে দেয়া হতে পারে। এরপর ধাপে ধাপে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার ঘোষণা আসতে পারে। সেই সঙ্গে ১৮ বছরের ওপরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মক’র্তা-কর্মচারীদের করো’না টিকা প্রদান কার্যক্রম জো’রালো’ভাবে শুরু করা হবে। টিকা নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরতে হবে।

তারা আরও বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বেশি গুরুত্ব দিয়ে ক্লাস করানো হবে। অন্যদের জন্য সপ্তাহে একদিন ক্লাস। অনলাইন ও অফলাইনে ক্লাসের ব্যবস্থা করা হবে। এসব বিষয় তুলে ধরতে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করবেন শিক্ষামন্ত্রী।

এদিকে অবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবিতে সোমবার (২৪ মে) রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও বি’ক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ দিন সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধন করেন রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। দেশের বিভিন্ন জে’লা-উপজে’লা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে একই দাবিতে মানববন্ধন করা হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানান, যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গার্মেন্টসসহ সব প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে, সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা অযৌক্তিক। তাই তারা অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে ক্লাস ও পরীক্ষা চালুর দাবি জানান।