তখন তিনি নবম শ্রেণির ছা’ত্রী। পড়’তেন কুমি’ল্লা’তেই একটি স্কু’লে। ওই সম’য়েই অসম প্রণ’য়ের স’ম্পর্কে জ’ড়িয়ে যান। দুই সন্তা’নের বাবা এক ব্য’ক্তির সঙ্গে পা’লিয়ে যান। বিয়ে করেন।
শুরু করেন সংসার। মোসারাত জাহান মুনি’য়াকে নিয়ে এসব তথ্যই গণমাধ্যম, সামা’জিক যোগা’যোগ মা’ধ্যমে ঘু’রে বেড়া’চ্ছে। সেই সঙ্গে ছড়ি’য়েছে বেশ কি’ছু ছবিও।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই ঘট’নায় নি’লয় নামে এক ব্যক্তি’কে আ’সামি করে কুমি’ল্লা কো’তো’য়ালি থা’নায় মা’ম’লা করেন মুনিয়ার বড়বোন নুসরাত।
এসব তথ্য দেখে সাধা’রণ মানু’ষের মনে প্রশ্ন উঠছে, আস’লেই কি অ’প্রা’প্ত বয়সে বিয়ে করে’ছিলেন মুনি’য়া? আর তার বড় বোনকে যেতে হয়েছিল মা’ম’লা-মোক’দ্দমায়? জানতে যো’গাযো’গের চেষ্টা করা হয়ে’ছিল মুনি’য়ার বড়’বো’নের মুঠো’ফোন নম্ব’রে। কিন্তু তিনি ফোনটি ধরেননি বলে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
গত ২৬ এপ্রিল গু’লশান-২ নম্বরের ১২০ সড়’কের একটি ফ্ল্যা’ট থেকে মোসারাত জাহান মুনি’য়ার ম’র’দে’হ উ’দ্ধা’র করে পু’লি’শ। ওই ঘট’নায় মুনি’য়ার বড়’বোন বাদী হয়ে একটি মা’ম’লা’ করেছেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমি’ল্লা শহ’রের মনো’হর’পুর গ্রা’মের উজির পুকু’রের দক্ষি’ণপা’ড়ে।
মুনি’য়াকে নিয়ে গণমা’ধ্যম ও সামা’জিক যোগা’যোগ মাধ্যমে চাউর হও’য়া তথ্য এবং ছবি থেকে জানা যায়, মুনি’য়া নব’মশ্রে’ণিতে থাকতেই পাশের গ্রা’মের নি’ল’য় নামে এক ব্য’ক্তির সঙ্গে প্রে’মের সম্প’র্কে জড়ায়।
ওই ব্যক্তি দুই সন্তা’নের বাবা ছি’লেন। পরে নি’লয়ের হাত ধরে মুনি’য়া পালি’য়ে যান বলে অ’ভি’যোগ রয়েছে। ওই ঘ’ট’নায় মুনি’য়ার বোন নারী নি’র্যা’তন আইনে কুমি’ল্লার কো’তো’য়ালি থা’নায় মা’ম’লা করেন।
মা’ম’লায় তিনি বলেন, তার অ’প্রাপ্ত ব’য়স্ক বোনকে ফুস’লিয়ে অ’প’হর’ণ করে অ’জ্ঞা’ত স্থানে নিয়ে তার সম্ভ্র’ম লুট’সহ জা’নমা’লের ভ’য়াবহ ক্ষতি’র শ’ঙ্কা করছেন।
নিল’য়কে গ্রে’প্তা’র মুনি’য়া’কে উ’দ্ধা’র জন্য আ’ইনি ব্যবস্থা নিতে তিনি আ’বেদন করেন। দী’র্ঘ সাড়ে তিন মাস পরে কু’মি’ল্লার পু’লিশ ফেনীতে নিল’য়ের এক আ’ত্মী’য় বাড়িতে অ’ভিযান চা’লিয়ে মুনি’য়া’কে উ’দ্ধা’র করে।
কিন্তু ততদিনে মুনিয়া নিলয় রীতি’মত বিয়ে করে সংসা’রজীবন শুরু করেছিলেন বলে জানা গেছে। পরে স্থা’নীয়’দের মধ্য’স্থ’তায় গ্রাম্য বৈঠকে মো’টা অ’ঙ্কের জ’রিমানা আদা’য়ের মা’ধ্যমে নিলয় মুনি’য়ার বিয়ে বি’চ্ছেদ ঘটানো হয় এবং যে যার পরি’বারে ফিরে যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিলয়ের সঙ্গে পালা’নোর পর বেশ কিছুদিন তারা ঢাকার মালিবাগে নিল’য়ের এক বন্ধু হিরুর আশ্রয়ে ছিলেন তারা। তখন হিরুর মাধ্যমে এফডিসিতে আসা-যাওয়া শুরু হয় মুনিয়ার।
এভাবেই অ’ভিনয় জগতের মানুষের সঙ্গে চেনা-পরিচয় ঘটে মুনিয়ার। তবে বোনের করা মা’ম’লায় তখন পু’লি’শ তাদের খুঁজে বে’ড়াচ্ছি’ল। বাধ্য হয়ে তারা আশ্রয় নেন ফেনীতে নিল’য়ের আ’ত্মী’য়র বাসায়। সেখান থেকেই পু’লি’শ তা’দের উ’দ্ধা’র করে।
ফেসবু’কসহ গণমাধ্যমে প্র’চার হওয়া ত’থ্যগু’লোর সত্যতা ঢাকা টাই’মসের পক্ষে যাচাই করে দেখা স’ম্ভব না হ’য়নি। তবে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে এসব তথ্য অসত্য নয়।
এদিকে মুনি’য়ার উচ্ছৃ’ঙ্খল জীবন-যাপনের ৪৮ সে’কে’ন্ডের একটি ভিডিও সামা’জিক যোগা’যোগ মা’ধ্যমে ঘুরছে। সেখানে দেখা গেছে, একটি রুমের মধ্যে উচ্চ’স্বরে হিন্দি গান বাজছে।
সেখানে বিভিন্ন রঙের আলো জ্ব’লছে। লাল রঙের একটি ওয়ে’স্টার্ন পোশা’ক ও পায়ে উঁ’চু হিল পরে গানের তা’লে তা’লে নানা অঙ্গ-ভ’ঙ্গি’তে নাচছেন মুনিয়া। এই দৃ’শ্য কেউ একজন ভিডিও ধা’রণ করেছেন। তবে ভিডি’ওটি কবে, কোথায় করা তা যাচাই করা তাৎ’ক্ষণিক’ভাবে সম্ভব হয়নি।
হুইপপুত্র না’জমুল করিম চৌধু’রীর (শারুন চৌধুরী) সঙ্গে’ও মুনি’রার যোগা’যোগ ছিল বলে একটি হোয়া’টসঅ্যা’প চ্যাটের কিছু স্ক্রি’নশ’ট ভাই’রাল হয়ে’ছে।
যা দেখে মনে ক’রা হচ্ছে, শা’রুন চৌধুরীর সঙ্গে মু’নিয়া’র আগে থেকেই যোগাযোগ ছিল। তবে ঢা’কা’টাইম’সের কাছে এসব বিষয় অস্বী’কার করেছেন হু’ই’পপুত্র।
গুল’শান থা’নায় মুনিয়ার বোনের ক’রা মা’মলা’র এজাহারে বলা হয়েছে, ২১ বছরের তরু’ণী মোসা’রাত জাহান পড়া’শোনা করতেন মিরপুর ক্যান্ট. পাব’লিক স্কুল অ্যান্ড ক’লেজে।
প্রশ্ন উঠেছে, একজন ক’লেজ শি’ক্ষার্থী কী’’ করে লাখ টাকা ভাড়ায় একা গু’লশা’নের মতো অ’ভি’জাত’পাড়ায় থাক’তেন? পড়া’শো’নার বাইরে মুনি’য়া’র কোনো পে’শা ছিল না। তাহলে বাসা ভাড়া, জীব’নযাপন’সহ পড়া’শো’নার খরচ কো’থায় থেকে আ’সত?
সেই সুবা’দে সামনে আস’ছে মুনি’য়ার পরিবারের বিষয়টি। এই ব্যয় বহনে মুনি’য়া’র পরিবার কতটা সচ্ছল? এই প্রশ্নগুলো এখ’নো রয়ে গেছে অমী’মাংসি’তই। মা”ম’লার ত’দন্ত সং’শ্লিষ্ট’রা বলছেন, তারা এসব প্র’শ্নের উ’ত্তরও খোঁজা’র চেষ্টা করছেন













































