প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

অপেক্ষায় জ’মজ সন্তান, মৃ’ত্যুপথযাত্রী বাবা

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

জিহান-জিদান দেড় ব’ছ’রে’র দুই জমজ শিশু।বাবা’কে দেখে না প্রায় আ’ড়া’ই মাস।বাবা ফয়সাল শি’ক’দারও প্রাণপ্রিয় দুই জমজ সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরতে ব্যাকুল। কিন্তু স’ন্তা’ন’দের কাছে ফিরে আসতে পারবেন কি-না,

তার কোনো নি’শ্চ’য়’তা নেই।তার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে
গেছে।আড়াই মাস ধরে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ব্রা’হ্ম’ণ’বা’ড়ি’য়া’র আখাউড়া উপজেলার হীরাপুর শিকদার বাড়ির ছেলে ফয়’সা’ল শিকদার(৩০)।

তার বাবা হুমায়ুন কবির শিক’দার আইনজীবীর সহকারী। চার বো’নে’র মধ্যে মেজ ফয়সাল।৩০ বছ’রের টগবগে এক যু’বক।অন্য সবার মতো তারও ছিল ভবি’ষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা।ফ’য়সালের ইচ্ছা ছিল বড় উকিল হবেন।

২০১৬ সালে এলএলবি পাস করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে শি’ক্ষা’নবি’শ আইনজীবী হি’সেবে যোগ দেন।কিন্তু তার দুটি কি’ড’নি’ই নষ্ট হয়ে গেছে।আজ তিনি মৃত্যুপথযাত্রী।
২০১৮ সালে বিয়ে ক’রে’ন ফয়সাল শিকদার।বিয়ে’র দুই

বছর পর জমজ সন্তান জ’ন্ম’গ্র’হণ করে।২০২০ সালের শেষ দিকে ফয়সাল অসুস্থ হয়ে প’ড়ে’ন।পরে শা’রীরিক পরীক্ষা-নি’রী’ক্ষা শেষে চিকিৎসকরা জা’না’ন,তার দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে।শুরু হয় কি’ড’নি’র চি’কি’ৎসা।

রাজধানীর একাধিক হা’স’পা’তালে চিকিৎসা চলাকালীন চিকিৎসকরা ফয়’সা’লে’র দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার বিষয়টি শতভাগ নি’শ্চি’ত করেন।চি’কি’ৎসকরা আরও জা’না’ন,তাকে বেঁচে থাকতে হলে প্র’তি’নিয়’ত কিডনি

ডায়ালাইসিস করতে হবে এবং অন্তত এক’টি কি’ড’নি ট্রান্সপ্লান্ট ক”রতে হবে,যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।কোনো উপায় না দেখে ফ’য়’সা’লের পৈতৃক জমি (প্রায় ৫৯ শতাংশ) বিক্রি করা হয় ১৮ লাখ ৮০ হাজার টা’কা’য়।এর মধ্যে

দেশে কিডনি চি’কি’ৎসায় ব্যয় হয় প্রায় ১০ লাখ টাকা। পরে তার আ’ত্মী’য়’স্বজনরা প্রায় ১০ লাখ টাকার মতো ব্যবস্থা করে দেন।প’রিবারের আরও কিছু টাকা নিয়ে গত ৩ মার্চ কলকাতায় চিকিৎসার জন্য পাড়ি জমান ফয়সাল।

দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে ক’লকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফয়’সাল।সেখানে নিয়মমাফিক তার কিডনির ডায়ালাইসিস চ’ল’ছে।সেখানে ই’তোমধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।এখন প্রস্তুতি চলছে তার একটি কিডনি

ট্রান্সপ্লান্ট করার।এজন্য জ”রু’রিভাবে প্রয়োজন প্রায় ২৫ লাখ টাকা।ফয়সাল সি’ক’দার বলে’ন,কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে ডোনারের ব্যবস্থা করা গেছে।কিন্তু এই ট্রান্সপ্লান্টের জন্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা জ’রুরি ভি’ত্তি’তে প্রয়োজন।

আ’মাদের হাতে মাত্র ১০ লাখ টাকা আছে।আরও ১৫ লাখ টা’কার ব্যবস্থা করতে হবে।যদি বাংলাদেশ সরকার আমার পাশে দাঁ’ড়িয়ে ভারতের এই হাসপাতালটিকে ডিও লে’টার পাঠায়,তাহলে আমার চিকিৎসা ব্যয় অর্ধেক হয়ে

যাবে।আমি আ’মা’দে’র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,বন্ধু-বান্ধব,
আ’ত্মীয়-স্বজনসহ সকল স্তরের মানুষের কাছে আবেদন জা’না”ই,আপ’নারা আমার পাশে দাঁ’ড়া’ন।আমি যেন পুনরায় আপ’না’দে’র মাঝে ফিরে আ’স’তে পারি।তিনি

আরও বলেন,পরিবার ও আমার দুই শিশুসন্তানকে দেখি না অ’নে’ক দিন।খুব মনে পড়ে মা-বাবা ও স’ন্তানকে। কিন্তু কি’ছু’ই ক’রা’র নেই।দোয়া করি আমার এ রোগ যেন কা’উ’কে আল্লাহ না দেন।যদি আমি চ’লা’র পথে

কারও সঙ্গে কোনো অপরাধ করে থাকি তাহলে আমাকে সবাই ক্ষমা করে দেবেন।ভা’র’তে চি’কিৎসাধীন ফয়সাল শিক’দা’রে’র সঙ্গে মো’বা’ই’লে যোগাযোগ করা যাবে +৯১৯৮৭৪৮৬২০৭৮ নম্বরে।সা’হা’য্য পা’ঠা’নোর ঠিকানা-

মোছা. জোসনা শিকদার,এসি-২০৫০০১৮০২০০৯৩৭৯০৬, ইসলামী ব্যাংক,আ’খাউড়া শাখা,ব্রা’হ্মণবাড়িয়া।বিকাশ/রকেট:০১৬৪১-৫৪০৫৭৮, ০১৭৫৭-৪৭৯৪৬৪