প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

হেফাজতকে নিষিদ্ধের দাবি করল বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

দেশব্যাপী নৈরাজ্য সৃষ্টি ও জ’ঙ্গিবাদের অ’ভিযোগ এনে হেফাজতে ইস’লাম নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইস’লামী ফ্রন্ট। একই সঙ্গে যু’দ্ধাপরাধের অ’ভিযোগ এনে ট্রাইব্যুনালে তাদের বিচারসহ ৭ দফা দাবি তুলে ধ’রা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি জানায় সংগঠনটি।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশব্যাপী নাশকতায় জড়িয়ে পড়ে হেফাজতে ইস’লাম। এরপর মামুনুলকা’ণ্ডসহ একের পর এক নানা বিতর্কের জন্ম দেয় দলটি। অবশেষে সমালোচনার মুখে ২৬ এপ্রিল কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বাবুনগরীকে প্রধান করে গঠন করা হয় আহ্বায়ক কমিটি। এমন বাস্তবতায় বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের প্রেসক্লাবের হেফাজতের নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ ইস’লামী ফ্রন্ট।

এ সময় হেফাজতে ইস’লামকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান বাংলাদেশ ইস’লামী ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব স. ম আবদু সামাদ।

তিনি বলেন, নৈতিক স্খলন জ’ঙ্গিবাদে কর্মকা’ণ্ডে যু’ক্ত হেফাজতকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে। তাদের কমিটি বিলুপ্ত বা নতুন করে কমিটি করে ইতোপূর্বে সংগঠিত জ’ঙ্গিবাদ অ’প’রাধকে মা’র্জনা করা যাবে না।

আর ইস’লামি শিক্ষাব্যবস্থাকে একই স্রোতে আনার পাশাপাশি কওমি সনদ বাতিলের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ ইস’লামি ফ্রন্টের মহাসচিব মা’ওলানা এম এ মতিন জ’ঙ্গিবাদের অ’ভিযোগও তোলেন হেফাজতের বি’রুদ্ধে।

তিনি বলেন, এ দেশের মধ্যে একটা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হতে পারে, মু’সলমানদের মধ্যে বিভক্তি হতে পারে, যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এ কারণে আম’রা মনে করছি, একটা দেশের মধ্যে দুই ধরনের ইস’লামি শিক্ষাব্যবস্থা থাকতে পারে না।

বাংলাদেশ ইস’লামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান এম এ মান্নান বলেন, এই কওমিরা এই হেফাজতিরা দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো দেশে কওমি মাদ্রাসা তৈরি করে। তারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে।

২০১০ সালে হেফাজতে ইস’লাম গঠন করে আলোচনায় আসে আল্লামা আহম’দ শফী। গত বছর সেপ্টেম্বরে তার মৃ’ত্যুর পর দায়িত্ব নেন জুনায়েদ বাবুনগরী।