প্রচ্ছদ খেলাধুলা

হাথুরুসিংহের উপর তীব্র ক্ষোভ ঝাড়লেন বিজয়

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

গত ২০১২ সালের শেষদিকে বাংলাদেশ জাতীয় দলে অ’ভিষেক হয় এই ডানহাতি ওপেনারের। অ’ভিষেকের পর নিজেকে প্রমাণ করে জাতীয় দলে থিতু হয়েছিলেন। তবে ২০১ বিশ্বকাপের সময় চোট আর চোটপরবর্তী ফর্মহীনতার কারণে দল থেকে একসময় বাদ পড়তে হয়।

আর ফিরতে পারেননি জাতীয় দলে!এদিকে বিজয় মনে করেন, জাতীয় দলে চার বছর টানা খেলার পর তার জায়গা হা’রানোর কারণ বাংলাদেশের সাবেক কোচ চান্দিকা হাথুরুসিংহে। বিজয়ের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে তাকে ‘স্বার্থপর’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন হাথুরুসিংহে।

একান্ত এক সাক্ষাৎকারে বিজয় বলেন, ‘সবার তখন ভালো সময় যাচ্ছিল… তামিম ভাই, মুশফিক ভাই, সাকিব ভাই, আমা’র- সবার। এই সময়টায় সবাই চেষ্টা করে নিজের পারফরম্যান্সে মনোযোগ রাখতে। মাশরাফি ভাই সবসময় আমাদের সামলাতেন। তিনি সবসময় চেষ্টা করেছেন আমাকে সাপোর্ট করার জন্য, সবসময় তার সাপোর্ট পেয়েছি। কিন্তু কোচ আসলে কোনো সাপোর্ট করেনি সত্যি বলতে। আমাকে যদি একটু সাপোর্ট করত, বোঝাত…’

কোচ স্বার্থপর বলার বিষয়টি ভুলতে পারেননি বিজয়। তার ভাষায়, ‘আমি এত ভালো অবস্থায় আছি, সবাই এত সাপোর্ট করে, সিনিয়ররা এত সাপোর্ট করে, সবাই এত ভালোবাসে এরপরও কোচ যদি এরকম ট্যাগ লাগায় তাহলে মনের মধ্যে নেতিবাচক চিন্তা আসতেই পারে। এতে আমা’র খেলায় বাজে প্রভাব পড়েছে। আমি নাকি সেলফিশ। একটা বলে চার বা ছক্কা মা’রার পর পরের বলে মনে হচ্ছে রান না হলে কোচ আমাকে বাজে কিছু বলতে পারে।’

বিজয় বলেন, ‘আমি এনামুল হক বিজয়, দেশের হয়ে এতদিন খেলেছি, অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছি, ‘এ’ দল-অ্যাকাডেমি দলের অধিনায়কত্ব করেছি, জাতীয় দলে চার বছর ধারাবাহিকভাবে খেলেছি, বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকে’টে ১৭টা শিরোপা জিতেছি, এতকিছু করার পরও ঘরোয়া ক্রিকে’টের গল্প বলছি কারণ আমি ঘরোয়া ক্রিকে’টে ভালো করেছি।

২০১৫ বিশ্বকাপ খেলেছি, ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছি। সেখানে এতকিছু দেশের জন্য করেছি, এরপরও যদি মানুষ ট্যাগলাইন মে’রে দেয় স্বার্থপর… আমি মনে করি মানুষের উচিৎ ছিল আমাকে সাপোর্ট করা। আমি জানি না কেন করেনি। তবে আমা’র পরিবার ও খেলোয়াড়দের মত সাপোর্ট করা উচিৎ ছিল।’