ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে হতাশ হয়েই স্টাম্প উপড়ে ফেলার পাশাপাশি লাথি দিয় স্টাম্প ভেঙে ফেলেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের এহেন কর্মকা’ণ্ডে ক’লঙ্কিত দেশের ক্রিকেট।
সাকিবের এমন অ’প্রত্যাশিত কর্মকা’ণ্ডের কারণে ক্রিকে’টে খেলুড়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট ক’র্তারা ফোন করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকে। কিন্তু তাদের সেই ফোন রিসিভ করতে সাহস পাচ্ছেন না এই সংসদ সদস্য।
এমনটি জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান বলেন, বিষয়টা আন্তর্জাতিকভাবে এত বেশি ছড়িয়ে পড়েছে, আমাকে এত দেশ থেকে ফোন করছে, আমি ভ’য়ে ফোন ধরছি না। বেইজ্জতির চরমে চলে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। আমা’র মনে হয় এই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার কোনো মানে হয় না। যতক্ষণ না পর্যন্ত আম’রা এ সমস্যার সমাধান না বের করছি। এটা চরম জায়গায় নিয়ে গেছে। যা উঠেছিল, এমনেই শেষ করে দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীর বিপক্ষে ইনিংসের পঞ্চ’ম ওভা’রের পঞ্চ’ম বলে সাকিব এলবিডব্লিউর আবেদন করলে আম্পায়ার সাড়া দেননি। এতে মেজাজ হারিয়ে সাকিব নন-স্ট্রাইকিং প্রান্তের স্টাম্পে লাথি মে’রে ভেঙে দেন।
এরপর তুমুল বৃষ্টি নামলে আম্পায়ার মাহফুজুর রহমান খেলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। তিনি যখন মাঠকর্মীদের কাভা’র আনার ইশারা দিচ্ছেন, তখন সাকিব আম্পায়ারের দিকে এগিয়ে গিয়ে তিনটি স্টাম্পই তুলে উইকে’টের ওপর ছুড়ে মা’রেন। তিনি এ সময় আম্পায়ারকে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়ে কিছু একটা বলছিলেন।
বৃষ্টির সময়ে খেলোয়াড়েরা যখন মাঠ ত্যাগ করছিলেন, তখনো নিজেকে সামলাতে পারেননি সাকিব। তিনি এ সময় আবাহনীর ড্রেসিংরুমের দিকে তাকিয়ে কিছু বললে ক্ষেপে গিয়ে তেড়ে আসেন আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। এগিয়ে যান সাকিবও। মোহামেডানের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার তখন জা’পটে ধরে থামান সাকিবকে। খালেদ মাহমুদ সুজনকে থামান মোহামেডানের তারকা ব্যাটসম্যান শামসুর রহমান শুভ।













































