সড়কটি ডানদিকে বাঁক নিয়েছে। অথচ ওই মোড়ে নির্দেশনা লেখা রয়েছে ‘বামে মোড়’। প্রকৃতপক্ষে বামে কোনো সড়ক নেই। আছে একটি খাল। রাতের বেলায় যানবাহনের চালকরা ওই নির্দেশনা মেনে চললেই নির্ঘাত পড়তে হবে মহাবিপদে। সোজা গিয়ে পড়তে হবে ওই খালে।
এমনই এক ভুল নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে নেত্রকোনা জে’লার বারহাট্টা উপজে’লার ঠাকুরাকোনা-ফকিরের বাজার পাকা সড়কে।
এ অবস্থায় এলজিইডির ভুল নির্দেশনার কারণে ওই স্থানে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘ’টনার আশ’ঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে যেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে গুরুতর ভুল নির্দেশনাটি সংশোধন করে দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা সদর উপজে’লার ঠাকুরাকোণা থেকে বারহাট্টা উপজে’লার ফকিরের বাজারের যাওয়ার পথে সিংরাজান-যোগাড়পাড় এলাকায় এলজিইডির এ ভুল নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অ’পরিচিত কোনো যানবাহন চালক এ পথে নির্দেশনা মতে গেলেই ঘটবে দুর্ঘ’টনা। এরই মধ্যে অনেকেই এই সড়কে চলতে গিয়ে পড়েছেন বি’ভ্রান্তিতে। উল্টো নির্দেশনায় মুখোমুখি হয়েছেন দুর্ঘ’টনার।
এবারের ঈদে সিলেট থেকে বারহাট্টা উপজে’লার বাট্টাপাড়া গ্রামে বেড়াতে এসেছেন চন্দন বর্মণ সৌরভ। তিনি বলেন, ‘রাতে ওই সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় ভুল নির্দেশক দেখে আমি দুর্ঘ’টনার মুখোমুখি হয়েছিলাম। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছি। কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতা যে কোনো সময় প্রা’ণহানি ঘটতে পারে। তাদের আরও সতর্ক হয়ে এগুলো দেখভাল করা উচিত।’
নেত্রকোনা জে’লা সুজনের সভাপতি শ্যামলেন্দু পাল এ বিষয়ে বলেন, ‘এটি একটি মা’রাত্মক ভুল। এটি এলজিইডির উদাসীনতার বহিঃপ্রকাশ। এজন্য দুর্ঘ’টনা ঘটলে কে দায় নেবে? অবশ্যই এর সঙ্গে জ’ড়িতদের সতর্ক করে দিতে হবে, ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নেত্রকোনা সদর এলজিইডির উপজে’লা প্রকৌশলী লুৎফর রহমান ‘কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া’ কথা বলতে রাজি হননি। তবে বিষয়টি সমাধানের আশ্বা’স দেন তিনি।
জে’লা পু’লিশের দেয়া তথ্য মতে, নেত্রকোনায় গত এক বছরে সড়ক দুর্ঘ’টনায় ২৪ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। দুর্ঘ’টনারোধে কর্তৃপক্ষের সচেতন নজরদারির দাবি করে আসছেন এলকাবাসী।













































