স’ম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি যেমন থাকবে, তেমনি থাকবে তাকে দূর করার প্রচেষ্টাও। আর সেক্ষেত্রে যত্নশীল(Caring) হতে হবে উভ’য়পক্ষকেই।
অনেকে প্রিয়জনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি(Misunderstanding) হলে কী’ করবেন তা বুঝে উঠতে পারেন না। ভা’রতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া স’ম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার ক্ষেত্রে কিছু টিপস(Tips) দিয়েছে। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই।
একে অ’পরকে দোষারোপ নয়: স’ম্পর্কে একটু আধটু ঝগড়া হতেই পারে। তাই বলে একে অ’পরকে এই নিয়ে দোষাদোষী করলে দুজনের মনেই বিরূপ ধারণার জন্ম হবে। এতে করে ভুল বোঝাবুঝির পরিমাণও বেড়ে যাবে এবং স’ম্পর্কে ফাটল ধ’রার সম্ভাবনা থাকবে। স’ম্পর্ক(Relationships) টিকিয়ে রাখতে তাই কখনই একে অ’পরকে দোষারোপ করবেন না।
সঙ্গীর কথা গুরুত্ব দিয়ে না শোনা: সঙ্গী যখন কোনো কথা বলেন সেটা যতোই তুচ্ছ হোক না কেন তা মনোযোগ সহকারে শোনা উচিৎ। নতুবা স’ম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি(Misunderstanding) বৃদ্ধি পেয়ে যাবে। আপনার সঙ্গী আপনাকে কোনো কথা বলতে চাচ্ছেন সেটা আপনার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ না হলেও হতে পারে তার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঙ্গীর কথা একটু গুরুত্ব দিয়ে শুনুন।
সময় দেয়া: না, এই সময় দেয়া মানে কিন্তু ভুল বোঝাবুঝিকে বাড়তে সময় দেয়া নয়, পরস্পরকে সময় দেয়া। যখন দূরে থেকে আর সমস্যার সমাধান করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না তখন কাছাকাছি হওয়ার চেষ্টা করুন। একটি দিন বা অন্তত একটি বিকেল পরস্পরকে সময় দিন। প্রিয় মানুষের চোখের দিকে তাকালে আর কোনো মিথ্যাই পাত্তা পাবে না। ভুল বোঝাবুঝি(Misunderstanding) দূর হয়ে প্রতিষ্ঠা হবে ভালোবাসার
অনুমান যাচাই করা: অনুমানের উপর ভিত্তি করে কোনো বিষয়ে জো’র দিয়ে কথা না বলাই ভালো। এতে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার আশ’ঙ্কা কমে যায়। অনুমিত বিষয়টি অসত্যও হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলে পরিষ্কার হওয়াই ভালো।
মতের অমিল হলে না আগানো: মানুষ দুজন, তাই মতামতও দুটোই আসবে। দুজনকেই বুঝতে হবে আপনার সঙ্গী স্বতন্ত্র মানুষ, তাই তার ধারণাটাও আলাদা। তার মানে এই নয় যে সঙ্গীর মতামত বা সিদ্ধান্তটা(Decision) ভুল। আপনাকে বিষয়টি সঙ্গীর দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করতে হবে। মানুষ যখন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে যায় তখন সেখানে আবেগ চলে আসে। এ কারণে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুজনের আবেগকে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করতে হবে। পরবর্তীতে যেন আর কোনো ভুল বোঝাবুঝি(Misunderstanding) না হয় সেজন্য সম্ভব হলে বিষয়টি নিয়ে আর আলোচনা করবেন না।
সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।













































