বিজেপির মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীরা শুক্রবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বি’রুদ্ধে ক্রমাগত টুইট করে গিয়েছেন। তাদের দাবি ছিল, প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক প্রত্যাখ্যান করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।





নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠক ডেকে হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিয়েছেন ভা’রত সরকারের। বলেছেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীরাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে থাকতে পারেন না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘তিনবার প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে চলে এসেছি। ইচ্ছাকৃতভাবে খালি আসন রাখা হল।



আমি রাজনীতির লোকদের দেখলাম। তারা মুখ্যমন্ত্রী–প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে থাকতে পারেন না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এখন বৈঠক ডাকছেন। প্রধানমন্ত্রী বৈঠক ডাকছেন। আম’রা প্রতিটি বৈঠকে থেকেছি। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে অর্থসচিব সকলে প্রতিটা বৈঠকে থাকেন।সত্যিটা সকলের জানা দরকার। আমা’র বি’রুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর দফতর বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় একতরফাভাবে খবর প্রচার করা হচ্ছে। আমা’র ভাবমূর্তি কা’লিমা’লিপ্ত করতে এই কাজ হচ্ছে।’



খবর হিন্দুস্তান টাইমসের। ঠিক কী’ ঘটেছিল? এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, আম’রা পৌঁছলে সেখানে অ’পেক্ষা করতে বলা হল। ১০–১৫ মিনিট পর বললাম প্লিজ ১ মিনিটের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাই।এসপিজি–কে বিবেক সহায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী অ’পেক্ষা করছেন। এসপিজি বলে, ১ ঘণ্টা থাকতে বলুন। তার পর জানতে পারলাম, কনফারেন্স রুমে গেলাম। ওখানে থাকার কোনও দরকার ছিল না। আগে জানতাম মুখ্যমন্ত্রী–প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক। গিয়ে দেখলাম রাজ্যপাল, বিধায়ক, বিরোধী দলনেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা রয়েছেন। বিজেপি নেতাদের মাঝে আমি একা।



সৌজন্য রাখতে দেখা করি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। ঘরে ঢুকে প্রধানমন্ত্রীকে বলি, আমাদের দিঘা যেতে হবে। ঘূর্ণিঝড় বি’ধ্ব’স্ত এলাকায় পরিদর্শন করে এসেছি। আবহাওয়ার জন্য সেখান থেকে কলাইকুণ্ডায় আসা কঠিন ছিল। আম’রা রিপোর্ট দিতে চাই। আমি রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীকে দিই। আর বলি, আপনার অনুমতি নিয়ে আমি দিঘায় যাচ্ছি। তাহলে আমাদের দোষ কোথায়?
আজ মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী অন্য রাজ্যে যাবেন বলে এই রাজ্যে আসেন। আম’রা তাঁর সঙ্গে গিয়ে দেখা করি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। আমা’র সফর ঘোষণার পর জানতে পারি উনি আসছেন। দুর্গত এলাকায় যাওয়ার কর্মসূচি আমি আগে ঘোষণা করেছিলাম। সংবাদমাধ্যমে অসত্য খবর দেয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতর।
দেখা করার জন্য দীর্ঘক্ষণ অ’পেক্ষা করতে হয়। আমাদের কপ্টার আকাশে প্রায় ২০ মিনিট চক্কর কাটে। ১ মিনিট দেখা করতে চাই। আগে বলা হয়েছিল শুধু প্রধানমন্ত্রী–মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক হবে। বৈঠক নিয়ে ঠিকমতো বার্তা দেওয়া হয়নি। তাহলে বলা হচ্ছে কেন আমি বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছি?’
মুখ্যমন্ত্রীর আরও প্রশ্ন, দিল্লিতে কেন বিরোধীদের গুরুত্ব দেন না? গুজরাট গিয়ে কেন বিরোধী দলনেতাকে ডাকেননি?ওড়িশায় কেন ডাকেননি? আমা’র এখানে এসেই কেন ডাকলেন? সবসময় এখানে এসে গ’ন্ডগো’ল করার চেষ্টা করেন। বারবার বাংলায় এসেই বাংলার প্রশাসনের বদনামের চেষ্টা করা হয়।
পুরনো কথা স্ম’রণ করিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম দিন থেকে সং’ঘা’তে জ’ড়াচ্ছেন। আমি যখন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অনুষ্ঠানে গিয়েছি, তখন কী’ হয়েছিল আপনারা দেখতে পেয়েছেন। কো’ভিড নিয়ে বৈঠকে আমাকে ডেকেও কথা বলতে দেওয়া হয়নি। এখন আবার মি’থ্যে কথা বলা হচ্ছে।’





























































