বেচেঁ থা’কা”র সব স’ম্ভা’বনার আলো নিভে যা’চ্ছি’ল সুলতান মল্লিকের।কিন্তু তার বড় বৌমা জা’হানারা নিজের য’কৃ’তের অংশ শ্বশুরকে দিয়ে নতুন জী’ব’ন দি’লেন। সম্প্রতি ভা’র’তের নদিয়ার চাপড়ার এলেমনগর গ্রামে এ
ঘটনা ঘটেছে।আ’ন’ন্দ’বা’জা’রের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,শ্বশুরকে কিডনি দেয়ার সিদ্ধান্তে শুরুতেজাহানারার বাপের বা’ড়ি’র লোকজন রাজি ছিল না।কিন্তু তা’দে’র ক’থা’য় কান না দিয়ে শ্বশুরের জী’বন বাঁচাতে এগিয়ে
এ’সে’ছে’ন এই গৃহবধূ।গত সো’মবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে সুলতানের।চিকিৎসকরা জা’নি’য়েছেন,অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে।বেঙ্গালুরুর হাসপাতালের বেডে শুয়ে সুলতান ব’ল’ছিলেন,কথায় বলে,বৌমা হল মে’য়ে’র মতো।সেই
জন্য তা’রা’ও শ্বশুরকে বাবা বলে।কিন্তু এ বার তো ওর শ’রী’রের অংশ ধার করে আমা’দের বাবা-মেয়ের মধ্যে স’ত্যি’কারের রক্তের বন্ধন তৈরি হল।এমন বৌমা লোকে ভাগ্য করে পায়।জানা গেছে,সু’ল’তা’ন মল্লিক পে’শায়
ছিলেন গা’ড়ি’চা’লক।বছর তিনেক আগে তার কিডনির সমস্যা ধরা পরে।ক’ল’কা’তা’র বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চ’ল’তে থাকে।কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে দক্ষিণ ভা’র’তে নিয়ে যা’ওয়া হয়।তার বড় ছেলে
আ’শিস জানান,হায়দরাবাদ, চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুর তিনটি হা’স’পা’তা’ল থেকেই আমাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছিল যে,বাবার কি’ড’নি’তে টিউমার হয়ে’ছে।দ্রুত লি’ভা’র প্রতিস্থাপন কর’তে হবে।প্রথমে তার তিন ছেলেকে পরীক্ষা
করা হয়।কিন্তু চি’কি’ৎসকরা জানিয়ে দেন,একমাত্র বড় ছে’লে’র সঙ্গেই র’ক্তে’র গ্রুপ ম্যাচ ক’রেছে।কিন্তু সেই ছে’লে’র ফ্যাটি লিভার হওয়ার কা’র’ণে তার কি’ডনি কাজে লা’গ’বে না।এরপর যো’গা’যো’গ করা হয় বেশ
কয়েকজন আত্মীয়ের সঙ্গে।কিন্তু কেউ এ’গি’য়ে আসেনি। ত’খ’নই সবাইকে অবাক করে প্রস্তাবটা দেন বাড়ির বড় বউ।পরিবার সূত্রের খবর,বেঙ্গালুরুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও প্রথমে শুনে বিশ্বাস করতে চাননি যে,বউমা শ্বশুরমশাইকে
যকৃৎ দিতে চে’য়ে’ছে’ন।জেলা পুলিশের রি’পোর্ট দেখার পর তারা আ’শ্বস্ত হন।জাহানারার পাশাপাশি তার বাপের বা’ড়ি’র সবার সঙ্গেও চি’কি’ৎস’ক’রা কথা তার পর
বেঙ্গালুরুর ওই হা’সপাতাল কিডনি প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত
নেয়।জা’হানারার আপ্লুত স্বামী আশিস বলেন,বারো বছর হল আমাদের বিয়ে হ’য়ে’ছে।স’ন্তা’নও রয়েছে।কিন্তু এই ঘ’ট’না’য় ওকে যেন ন’তু’ন করে আবিষ্কার কর’লাম। সা’রা’জীবন ওর কাছে কৃতজ্ঞ থাকব।জাহানারা বলেন,
বাবা অ’নে’ক কষ্ট করে আমা’দের সং’সা’র’কে দাঁড় ক’রি’য়ে’ছে’ন।তিনি বেঁচে থা’কলে গোটা সংসার সুখে থা’ক’বে।আমি যা ক”রে’ছি সংসারের ভা’লো’র জন্য ক’রে’ছি।













































