এ বলছে আমাকে দেখ, ও বলছে না, আমাকে দেখ। উত্তেজনার দিক দিয়ে দুই লিগ এবার যা দেখাচ্ছে, কোনো লিগ থেকেই চোখ সরানোর জো নেই। ফরাসি লিগও যেন এবার উঠেপড়ে লেগেছে নিজের গায়ে লেগে থাকা অপবাদ ঘোচানোর জন্য।
এক ক্লাবের লিগ হয়ে থাকার অপবাদ, শুধু পিএসজির লিগ হয়ে থাকার অপবাদ। সহজ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন লিগ হয়ে থাকার অপবাদ। যে লিগকে এত দিন পিএসজির সম্পত্তি বলে মনে করা হতো, নেইমাররা এবার সে লিগের শীর্ষেই উঠতে পারছেন না। ওই জায়গায় এবার লিলের কর্তৃত্ব। ৩৭ ম্যাচ পরেও একই হিসাব। তবে শেষ রাউন্ডের আগে লিল শীর্ষে থাকলেও গত রাতে ব্যবধান কমিয়ে এনেছে পিএসজি। রিমকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে তারা।
ওদিকে সেঁত এতিয়েঁর সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে দুই পয়েন্ট খুইয়েছে লিল। ফলে শেষ রাউন্ডের আগে দুই দলের ব্যবধান কমে দাঁড়িয়েছে এক-এ। শেষ রাউন্ডে পিএসজি যদি ব্রেস্তকে হারায়, আর ওদিকে অজেঁর বিপক্ষে লিল যদি হারে বা ড্র করে, তাহলে লিল নয়, চ্যাম্পিয়ন নেইমাররাই হবেন। কিন্তু দুই দলই যদি নিজ নিজ ম্যাচ জেতে, কিংবা শেষ রাউন্ডে পিএসজির কপালে যদি জয় ছাড়া অন্য কিছু জোটে—তাহলে দশ বছর পর শিরোপা যাবে লিলের ঘরে। কিন্তু শেষ রাউন্ডে যদি পিএসজি ড্র করে, আর লিল যদি হারে, সে ক্ষেত্রে চ্যাম্পিয়ন হবে পিএসজিই।
গোটা ম্যাচেই গত রাতে ছড়ি ঘুরিয়েছেন নেইমাররা। দশ মিনিটে ইউনিস আবদেলহামিদের লাল কার্ডের কারণে পিএসজির কর্তৃত্ব দেখানোর বিষয়টা আরও সহজ হয়ে গিয়েছিল। পেনাল্টি থেকে গোল করেছেন নেইমার। কিলিয়ান এমবাপ্পে, মার্কিনিওস ও মইস কিনও একটি করে গোল করেছেন। মার্কিনিওসের গোলটাও বানিয়ে দিয়েছেন নেইমার। অপেক্ষা এখন শেষ রাউন্ডের। সে রাউন্ডে পিএসজি আর লিলের ফলাফলের ওপরেই নির্ভর করছে লিগের ভাগ্য।











































