
শান্টু-পূর্ণার বিয়ে নিয়ে পরিবারে নানান সমস্যা বেঁধে গেছিল। রাগী শশুরতো কোনোভাবেই সান্টুকে জামাই হিসেবে মানতে রাজি নন। কারণ সান্টু একজন গুন্ডা। কিন্তু নানারকম বাধা কাটিয়ে সান্টু-পূর্ণার বিয়ে সম্পূর্ণ হয়। বিয়ের পর পূর্ণার সঙ্গে শান্টু এবারে আসে শশুরবাড়িতে দ্বিরাগমন করতে। কিন্তু তার জন্য কোনও রান্না করা খাবারের আয়োজন করা হয়নি। ফলে শান্টু ঠিক করে, সে নিজেই রান্না করে শ্বশুরবাড়ির লোকদের খাওয়াবে।একেবারে কোমর বেঁধে শ্বশুরমশাইয়ের মাথা ঠান্ডা করার জন্য মাছের মুড়ো রাঁধতে শান্টু ঢুকে পড়ে রান্নাঘরে। বাড়ির মেয়েরা শান্টুকে রান্নাঘরে যোগাড় দেয়। আর এখানেই অনেক দিন পর শান্টুর কণ্ঠে মান্না দে’র কণ্ঠে বিখ্যাত গান ‘আমি শ্রী শ্রী ভজহরি মান্না’ শোনা যায়।আর তাতেই ভাইরাল হয়েছে ‘খেলাঘর’ ধারাবাহিকের এই প্রোমো ।
ধারাবাহিক বর্তমান মানুষের জীবনের একটি পার্ট হয়ে উঠেছে। সকলেরই প্রিয় ধারাবাহিক দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন যে কখন নিজের পছন্দের ধারাবাহিক অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধের পরে শুরু হয়ে যায় একের পর এক ধারাবাহিক। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকা দর্শকদের মনে স্বস্তি আসে ধারাবাহিক শুরু হয়ে গেলেই। ষ্টার জলসায় একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল ‘খেলাঘর’। ধারাবাহিকটিতে উঁচু নিচু বংশের একটি বর্ণবৈষম্য থেকেই গেছে। শান্টু একজন রাজনৈতিক দলের নেতা আর পূর্ণা শহরের বড়োলোক বাবার মেয়ে। ঘটনাচক্রে তাদের বিয়ে হয়ে যায়।
পূর্ণার বাড়ি থেকে তার বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ঘটনাক্রমে শান্তির সাথে দেখা হয় এবং শান্টু পূর্ণার কপালে সিঁদুর পরিয়ে দেয়। প্রথমবার দেখাতেই বিয়ে যা কোনোদিন ভাবেননি পূর্ণা। বিয়ের পর শান্তুর সাথেই সংসার করতে চলে আসে এক্কেবারে বস্তিতে। সংসার করার সময় পূর্ণা শপথ নেয় শান্তুকে সে ভালো করবেই। এই নিয়েই চলতে থাকে নানারকম ঝামেলা। পূর্ণার বাবা কোনোভাবেই মানেন না বিষয়টাকে।
এই ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন শান্টুর চরিত্রে সইদ আরেফিন। খুব কম সময়ের মধ্যেই ধারাবাহিক হয়ে উঠেছে জনপ্রিয়। টিআরপিতেও জায়গা করে নিয়েছে। এর আগে ইরাবতির চুপকথা সিরিয়ালে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। পূর্ণার চরিত্রে অভিনয় করছেন স্বীকৃতি মজুমদার। এই ধারাবাহিক তার প্রথম। স্টার জলসা পরিবার অ্যাওয়ার্ড শোতে স্বীকৃতি পুরষ্কার ও পান। দর্শকদের বেশ পছন্দের জুটি হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিক।












































