প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

যা’বজ্জীব’ন ভুল সাজা ভো’গকারী মিনুকে মু”ক্তির নি’র্দেশ হা’ইকোর্টের

0
Facebook
Twitter
Pinterest
WhatsApp
LINE

একটি হত্যা মা”ম’লা’য় যাবজ্জীবন সা’জাপ্রাপ্ত আসামি কুলসুম আক্তার কুলসুমীর পরিবর্তে সাজা ভোগকারী মিনু বেগমকে মুক্তি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।এ ঘটনায় সশরীরে আ’দালতে হাজির হতে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু

আদালত-২ এর পা’ব’লি’ক প্রসিকিউটর এমএ নাসের, আ’ই’ন’জীবী বিবেকানন্দ ও নুরুল আনোয়ারকে লিখিত ব্যাখা দিতে দিতে ব’লেছেন আদালত।তাদের আগামী দুই স’প্তা’হে’র মধ্যে এ বি’ষ’য়ে ব্যাখা দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার এ বিষয়ে শু’না’নি শেষে বি’চারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত হা’ই’কো’র্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আদালতে মিনুর পক্ষে শুনা’নি করেন আইনজীবী মোহাম্মাদ শিশির মনির।

অ’প’র’দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন।এর আগে,গত ২৪ মার্চ এই হত্যা মামলার নথি বি’শে’ষ বা’হ’কের'(স্পেশাল ম্যাসেঞ্জার)মা’ধ্য’মে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।এ মামলায় মিনুর পক্ষেরআইনজীবী

জানান,কারাগারের একটি বালাম বই দেখতে গিয়ে মিনুর সাজা খা’টা’র বি’ষ’য়টি উঠে আসে।সেখানে দেখা যায় একজ’নের পরিবর্তে যাবজ্জীবন সাজা খাটছেন এ নারী।পরবর্তী সময়ে বি’ষয়টি আদালতের নজরে আনা হলে এ

মা’ম’লা’র প্র:য়ো’জনীয় কাগজপত্র হাইকোর্টে পাঠানোর আদেশ দেন চট্ট’গ্রা’মের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আ’দা’ল’ত।দ্রুত সমাধানের জন্য আদেশের একদিন পর মামলার উপনথি হাইকোর্টেপাঠানো

হয় বিশেষ বাহকের(স্পেশাল ম্যাসেঞ্জার)মাধ্যমে।মহনগর দায়রা জজ আদালতের অ’তি’রিক্ত পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) মো.নোমান চৌধুরী ব’লে’ন,আদালতে সংরক্ষিত ছবি সম্বলিত নথিপত্র দেখে কুলসুম আক্তার কুলসুমী আর

মিনু এক নয় বলে নিশ্চিত হয়েছেন।যেহেতু এরই মধ্যে এ মা’মলার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়েছে, তাই মাম’লা’র উপ:নথি দ্রুত সময়ের হাইকোর্টে পাঠানো হয়ে’ছে।হত্যা মামলায় আদালত যাবজ্জীবনসহ ৫০ হাজার

টাকা জ’রি’মানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেন কুলসুম আক্তার কু’ল’সু’মীকে।কিন্তু আ’দা’ল’তে আত্মসমর্পণ করে জেল খা’ট’ছেন মিনু নামে এক নারী। নামের মিল না থা’কার পরও কুলসুম আক্তার কুলসুমীর

বদলে মিনু চট্টগ্রাম কে’ন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন দুই বছর নয় মাসের বেশি সময় ধরে।কোনো কিছুর মিল না থাকায় এক’জ’নে’র স্থলে আ’রে’ক:জন জেল খাটার বিষয়টি আ’দা’লতের নজরে আনেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো.শফিকুল ইসলাম খান।বি’ষ’য়টি নিয়ে দেশ’জুড়ে’ তো:লপা:ড় সৃষ্টি হয়।