মাহমুদা খানম মিতু হ’ত্যা’র পর আরও তিনটি বিয়ে করেন তার স্বামী পু’লি’শের সাবেক এস’পি বাবুল আ’কতার। এর মধ্যে দুজনের স’’ঙ্গে ছাড়া’ছাড়ি হয়ে গেছে, বর্তমানে একজনের স’’ঙ্গে সংসার করছিলেন তিনি।
মিতুর মা শাহিদা মোশা’ররফ বুধবার দুপুরে এ ত’থ্য জানান। তিনি বলেন, ‘মিতু মা’রা যাওয়ার আগে বাবুর (বাবুল আ’কতার) স’’ঙ্গে
ভারতের এক না’রীর স’’ঙ্গে সম্পর্ক ছিল। মিতু কৌ’শলে সেটা জেনে যায়। শুধু ওই না’রী নয়, আরও কয়েক জনের স’’ঙ্গে তার সম্পর্ক
ছিল। যাদের মধ্যে দুই জনকে নিয়ে মি’তুর মৃ’’ত্যুর পর সে সংসার করেছে। আরেকটি বিয়ে করেছে পা’রিবা’রিক’ভাবে।’ মি’তুর মা জানান,
চট্টগ্রামে থাকার সময় ওয়েল ফুডে চা’করি করা এক না’রীর স’’ঙ্গে বাবুলের পরিচয় হয়। মিতু মা’রা যাও’য়ার পর ওই না’রী’কে ঢাকা’য় এনে
একস’’ঙ্গে থাক’তে শুরু করেন বা’বুল। এক পর্যায়ে ওই না’রী বাবু’লকে ছেড়ে চলে যান। এরপর খুল’নার এক মেয়েকে বিয়ে করে’ন বাবুল।
তবে ওই সংসা’রও বেশি দিন টেকেনি। সবশে’ষ ৪-৫ মাস আগে কুমি’ল্লার এক মে’য়েকে তিনি বিয়ে করেন। মিতুর মায়ের অ’ভি’যোগ
কুমি’ল্লার মে’য়েটির স’’ঙ্গেও বাবুলের আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল। ওই মেয়ের স’’ঙ্গে রাজ’ধানীর মো’হা’ম্ম’দপুরের বাবর রো’ডে থাক’ছিলেন
তিনি। ২০১৬ সালের ৫ জুন মি’কে হ’ত্যার পর বা’বুল আক’তার দুই স’ন্তানকে নিয়ে খিল’গাঁও’য়ের মে’রাদি’য়ায় শ্বশু’রের বাসায় ওঠেন।
মিতুর মা বলেন, সে সময় বাবুলের কা’ন্না ও ‘নিখুত অ’ভিনয়’ তাদেরকে বি’ভ্রান্ত করে’ছিল। তবে সময় যা’ওয়ার স’’ঙ্গে স’’ঙ্গে বাবুল
স’ম্প’র্কে তা’দের ভু’ল ধারণা ভা’ঙতে শুরু করে। শাহেদা মোশাররফ বলেন, ‘তিন বছর আগে হ’ঠাৎ করেই সে (বাবুল) আমা’দের বাসা
ছেড়ে চলে যাও’য়ার সি’’দ্ধান্ত নেয়। এরপর আমা’র দুই নাতিকে নিয়ে চলে যায়।’ মিতুর মা শাহেদা মোশা’ররফ অ’ভিযোগ করেন, তাদের
বাসা ছেড়ে চলে যাও’য়ার পর বাবুল তার দুই ছেলে-মেয়েকে নানা-নানির কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। তিন বছরে এক বারের জন্যও মিতুর
বাবা-মা’র স’’ঙ্গে তাদের দেখা করতে দেয়া হয়নি। মিতুর ছেলে রাজধানীর একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে বলে জানান শাহেদা মোশাররফ।
আর মে’য়েকে সম্প্রতি স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে। শাহেদা বলেন, ‘আমা’র মেয়ে মা’রা যাওয়ার পর তার দুই সন্তানকে নিয়ে জীবনের বাকি সময়
পার করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বাবুল ওদের আমা’দের কাছ থেকে সরিয়ে রাখছে। আমা’দের স’’ঙ্গে দেখা করতে দেয় না, কথা বলতে দেয় না, আমা’দের ফোন রিসিভ করে না। বাসায় গেলে দারোয়ান দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। ‘অথচ মিতুর বিয়ের পর ওর থাকা-খাওয়া সবকিছুর ব্যবস্থা করতাম আমর’া।
ওরা অন্যের বাসায় যাতে না থাকে সেজন্য আমর’া ঢাকায় বাসা করে দিলাম। বিসিএসে পু’লিশ হওয়ার আগ পর্যন্ত সেখানেই ওরা থাকত।’ মিতুকে হ’ত্যার অ’ভিযোগে গ্রে’’’প্তার হয়েছেন বাবুল আকতার। বাবুল-মিতু দম্পতির দুই স’ন্তানের ভবি’ষ্যত নিয়ে উদ্বি’গ্ন মিতুর বাবা-মা।
মিতুর মা বলেন, ‘এখন ওদের কী হবে? এই দুইটা মুখে দিকে তাকিয়ে কটা দিন বাঁ’চতে চাইছিলাম। বাবু আমা’দের স’’ঙ্গে ওদের থাকতে দিলো না। আলাদা করে দিছে। বাচ্চাগু’লো সৎ মা’র কাছে আছে। আমর’া ওদের লালন-পালন করতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাব, এই দুই শিশুকে আমা’দের কাছে থাকতে দেয়া হোক।’
বাবুল আকতারের বি’রু’দ্ধে মা’মলার পর নিজেদের নি’রাপত্তা নিয়ে শ’ঙ্কা জানিয়েছেন মিতুর মা শাহেদা মোশাররফ। তিনি বলেন, ‘পরশু দিন (সোমবার) মিতুর বাবাকে পিবিআইয়ের ঢাকা অফিসে যেতে বলা হয়। আমর’া এই মা’মলা নিয়ে আশা ছেড়ে দিছিলাম।
বিকেলে মিতুর বাবা বাসায় ফিরে এসে, শুধু বলল, মিতুর জন্য দোয়া করো, ভালো খব’র আছে। আমাকে চট্টগ্রাম যেতে হবে। এরপর ভোররাতে সেহরি করে তিনি চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু এই খবরটা আমর’া কাউকে জানতে দেইনি। ভ’য় ছিল, বাবুল বা বাবুলের লোকজন জানতে পারলে কোনো ঝা’মেলা ’হতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘বাবুলকে পু’লিশ হেফাজতে নেয়ার পর থেকেই ভ’য়ে আছি। গেট এখন ব’ন্ধ করে রাখি। বাসায় আমা’র আরেক মে’য়ে ও মে’য়ের স্বামী তাদের স’ন্তানসহ থাকে। তাদের নি’রাপত্তা নিয়েও ভ’য় হচ্ছে।’
মা’মলাটি নাটকীয়ভাবে মোড় নেয়ায় এবার সঠিক বি’চারের আশা দেখছেন মিতুর মা। তিনি বলেন, ‘বাবুলের অ’বৈধ সম্পর্ক মিতু জেনে গিয়েছিল, এটা কি তার অ’পরাধ। ওকে নিয়ে সংসার না করতে চাইলে আমা’দের কাছে পাঠিয়ে দিত। কিন্তু ওকে কেন হ’ত্যা করল? ও (বাবুল) প’রিকল্পি’তভাবে আমা’র মে’য়েকে মে’রেছে, আমর’া সঠিক বি’চার চাই।’













































